1. multicare.net@gmail.com : আমাদের পিরোজপুর ২৪ :
শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০২:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কাউখালীতে পার্টনার প্রকল্পের আওতায় ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের তিন ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড নাজিরপুরে মায়ের সঙ্গে নানা বাড়িতে বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যু এমপি পরিদর্শনের পর গজারিয়ায় খালের ওপর নির্মিত অবৈধ বাঁধ অপসারণ করল কোম্পানি গজারিয়ায় পূর্ব শক্রতার জেরে স্বামী স্ত্রীকে পিটিয়ে আহত,বাড়িঘর ভাংচুর,লুট রাতে টর্চ জ্বালিয়ে উদ্বোধন এমপির,দিনের আলোয় পরিদর্শন ইউএনও’র কাউখালীতে মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ রাখায় ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা কাউখালীতে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর আফ্রিকান মাগুর মাছ জব্দ, দেওয়া হলো এতিমখানায় পবিপ্রবিতে ভিসিবিরোধী অপতৎপরতা শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের প্রতিরোধের মুখে পন্ড নাজিরপুরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

ফুলপুরে হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ২২৪ বার পড়া হয়েছে

ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলা আজ হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।৯ ডিসেম্বর, ফুলপুর হানাদার মুক্ত দিবস।১৯৭১ সালের এই দিনে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর হাত থেকে মুক্ত হয়েছিল ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলা।মহান মুক্তিযুদ্ধে ফুলপুর ছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর, আল-শামসদের লুটপাট অগ্নিসংযোগ, নৃশংস হত্যা ও ধর্ষণের ঘটনায় ক্ষত-বিক্ষত।১৯৭১ সালের এই দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধারা সর্বাত্মক আক্রমণ চালিয়ে এ উপজেলায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করে। যুদ্ধের মহাসংকট থেকে মুক্ত হয় উপজেলাবাসী।জানা যায়, ১৯৭১ সালের ৬ থেকে ৮ ডিসেম্বর বাখাই মধ্যনগর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্ধারা প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।সম্মুখযুদ্ধে তারাকান্দার স্বল্পা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধাকে সাথে নিয়ে নিরীহ মানুষকে বাঁচান। এক পর্যায়ে তিনি এ যুদ্ধে শহীদ হন।এতে ১০ জন মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতীয় একজন মেজরসহ ১৫ জন নিহত হয়।মুক্তিযুদ্ধকালিন সময়ে ফুলপুর হানাদার মুক্ত হওয়ার আগের দিন পর্যন্ত সরচাপুর বধ্যভূমির টর্চার সেলে নিত্যদিন সন্ধ্যায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরপরাধ অসংখ্য মানুষকে লাইনে দাঁড় করিয়ে বেয়নেট চার্জ করে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে হত্যার পর লাশ কংস নদীতে ভাসিয়ে দিত। এছাড়া সীমান্তবর্তী হালুয়াঘাট উপজেলা থেকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পিছু হটার পথে মধ্যনগরে মিত্রবাহিনীর সাথে প্রচণ্ড সম্মুখযুদ্ধে ৩ জন মুক্তিযোদ্ধা ও ২ জন মিত্রবাহিনীর সদস্য শহীদ হন।এ সময় কয়েকজন গ্রামবাসিও প্রাণ হারান।এলাকাবাসি ৩ জন মুক্তিযোদ্ধা ও ২ জন মিত্রবাহিনীর লাশ একই কবরে শায়িত করে।পরে মিত্রবাহিনীর শহীদ ২ সদস্যের লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে দাহ করা হয়।এই বাখাই মধ্যনগরের যুদ্ধেই পতন ঘটে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর এবং ৮ ডিসেম্বরের মধ্যে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পালিয়ে যায়।পরে ৯ ডিসেম্বর ভোরের সোনালী সূর্য উদয়ের সাথে সাথে মুক্তিযোদ্ধারা ফুলপুরকে মুক্ত দিবস ঘোষণা করে এই দিনে ফুলপুর থানায় বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন।এর ন্যায় প্রতিবছর ৯ ডিসেম্বর ফুলপুরকে মুক্ত দিবস হিসেবে পালন করা হয়।ফুলপুর মুক্ত দিবস হোক মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ ভবিষ্যত প্রজন্মের প্রেরণার উৎস। এটাই এখানকার মুক্তিকামী জনগণের প্রত্যাশা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐘𝐄𝐋𝐋𝐎𝐖 𝐇𝐎𝐒𝐓