1. multicare.net@gmail.com : আমাদের পিরোজপুর ২৪ :
মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সোমবার দুর্গত এলাকার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমাল বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করতে শুরু করেছে মুন্সীগঞ্জের কৃতি সন্তান নৌ পুলিশের ডিআইজি ইরান পেলেন উন্নয়নে বাংলা অ্যাওয়ার্ড মুন্সীগঞ্জ শ্রীনগরে এক রাতেই ৯টি কবরের কঙ্কাল চুরির অভিযোগ পানি সমস্যা সমাধানে বিত্তহীনদের পাশে সমাজসেবী তাপস পিরোজপুরে ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল প্লাবিত, ৫৬১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রোববার রাতে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় রেমাল ঘূর্ণিঝড় রেমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত ফুলপুরে ভিজিএফ কর্মসূচি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে কাউখালীর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়

উজিরপুরে মেডিকেলে সুযোগ পেয়েও অর্থ অভাবে ভর্তি অনিশ্চিত সাব্বিরের

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৪৮ বার পড়া হয়েছে

নাজমুল হক মুন্না উজিরপুর (বরিশাল) প্রতিনিধি :

বরিশালের উজিরপুর উপজেলার শোলক ইউনিয়ন এর দামুদার কাঠি গ্রামের হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান মো: রমজান খান সাব্বির।ছোটবেলা থেকে অভাবের সাথে যুদ্ধ করে মেধা দিয়ে জয় করেছে মেডিকেলে ভর্তি।কৃষক বাবার ছেলে সাব্বির মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেলেও চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন পূরনে এখন বাঁধা হয়ে দাড়িয়েছে অর্থ।ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় ২০ হাজার টাকা সংগ্রহ করতে হিমশি খাচ্ছে তার বাবা।কৃষক ফিরোজ খানের ছেলে সাব্বির জানান, ভর্তি পরীক্ষায় ৬৭.৭৫ নম্বর পেয়ে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজে সুযোগ পেয়েছেন।বোনের উপহার পাওয়া ডিজিটাল শুমারী ট্যাব দিয়ে অনলাইনে পড়াশুনা করে একবারেই সুযোগ পেয়েছে মেডিকেলে।সাব্বির বলেন, কোন প্রাইভেট পড়ার মতো সুযোগ ছিলো না।মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষার কোন বইও কিনতে পারেননি।অনলাইন ও ইউটিউব থেকে টিউশন নিয়ে অংশ নিয়েছেন ভর্তি পরীক্ষায়।ছোট বেলা থাকে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন সাব্বির, তার বাবা সব সময় বলে যত কষ্ট হোক স্বপ্ন পুরনে সহায়তা করবেন।বাবার এ আশ্বাসে নিজের লক্ষ্য ঠিক করেন চিকিৎসক হবে।উজিরপুরের এইচএম ইনষ্টিউট থেকে ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন।পরে ভর্তি হয় সরকারী গৌরনদী কলেজে। এইচএসসি পরীক্ষায়ও জিপিএ ৫ পেয়েছেন।সাব্বিরের বাবা ফিরোজ খান জানান, সাব্বির পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। কীভাবে ছেলেকে ভর্তি করবো আর পড়ালেখার খরচ বহন নিয়েও চিন্তায় রয়েছি।ঋন করে ভর্তি করানোর চেষ্টা করার কথা জানান তিনি।সাব্বিরের মা সাহিদা বেগম জানান, স্বামী কৃষি কাজ করে। যখন টাকা থাকে তখন গামছা বিক্রির ব্যবসা করেন।এ দিয়ে চলতে কষ্ট হয়। ছেলেকে ২০ হাজার টাকা দিয়ে মেডিকেলে ভর্তি করা নিয়ে চিন্তায় আছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐘𝐄𝐋𝐋𝐎𝐖 𝐇𝐎𝐒𝐓