1. multicare.net@gmail.com : আমাদের পিরোজপুর ২৪ :
মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সোমবার দুর্গত এলাকার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমাল বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করতে শুরু করেছে মুন্সীগঞ্জের কৃতি সন্তান নৌ পুলিশের ডিআইজি ইরান পেলেন উন্নয়নে বাংলা অ্যাওয়ার্ড মুন্সীগঞ্জ শ্রীনগরে এক রাতেই ৯টি কবরের কঙ্কাল চুরির অভিযোগ পানি সমস্যা সমাধানে বিত্তহীনদের পাশে সমাজসেবী তাপস পিরোজপুরে ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল প্লাবিত, ৫৬১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রোববার রাতে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় রেমাল ঘূর্ণিঝড় রেমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত ফুলপুরে ভিজিএফ কর্মসূচি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে কাউখালীর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়

গজারিয়া উপজেলার শ্রেষ্ঠ শ্রেণী শিক্ষক হলেন সরদার সফিকুল ইসলাম

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ মে, ২০২৪
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :

মুন্সিগঞ্জ গজারিয়া উপজেলা জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৪ এর গজারিয়া উপজেলা শ্রেষ্ঠ শ্রেণী শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন হোসেন্দি ইউনিয়ন ঐতিহ্যবাহী হোসেন্দী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের স্বনামধন্য সহকারী শিক্ষক সরদার সফিকুল ইসলাম।২০১৪ সাল থেকে তার শিক্ষকতা পেশা শুরু তিনি নিষ্ঠার সাথে এ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রদান করে যাচ্ছেন।তার আন্তরিকতা শিক্ষার্থীদের সাথে বন্ধুত্বসুলভ আচরণের মাধ্যমে দুর্বল শিক্ষার্থীদের চিহ্নিত করে, তাদের কে আলাদা যত্ন নিয়ে পড়াশোনা করিয়ে দূর্বলতা এবং জড়তা কাটানোর মাধ্যমিক শিক্ষা প্রদান করে যাচ্ছেন দীর্ঘ ১০ বছর ধরে।২০১৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত দীর্ঘ ১০ বছর সুনামের সাথে অতিবাহিত হতে যাচ্ছে হোসেন্দি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে তার শিক্ষকতা জীবন।সহকারী শিক্ষক সরদার সফিকুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের নিকট যেমন কাছের এবং পছন্দের শিক্ষক। একি ভাবে প্রধান শিক্ষক এবং সকল সহকারী শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের নিকট তিনি খুব পছন্দের ব্যক্তি।তিনি জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৪ এর মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার সকল শিক্ষকদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ায় প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানান।সহকারী শিক্ষক সরদার সফিকুল ইসলাম বলেন,তিনি শিক্ষকতা পেশাকে চাকরি মনে করেন না। শিক্ষকতা পেশাকে মনে করেন সেবা করার সুযোগ পাওয়া।তিনি আরো বলেন আমি কখনো অর্থ উপার্জন করবো সে মনোভাব নিয়ে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা করায়নি এবং অর্থ উপার্জন করতে হবে সেজন্য ও এ শিক্ষকতা পেশায় আসিনি এসেছি শুধু মানুষ কে সেবার করার সুযোগ পেয়েছি সে জন্য।নিজের সন্তান মনে করে পড়াশোনা করাতে চেষ্টা করি।আমি সব সময় চেষ্টা করি এমন ভাবে শিক্ষা প্রদান করতে যাতে আমার মৃত্যুর পর আমার স্বরণ করে মনে থেকে দোয়া করে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐘𝐄𝐋𝐋𝐎𝐖 𝐇𝐎𝐒𝐓