1. multicare.net@gmail.com : আমাদের পিরোজপুর ২৪ :
বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিএনপি এদেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করে…. গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মনজুর কাউখালীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বর্ষ বরণ উদযাপন মঠবাড়িয়ায় ভুয়া চিকিৎসক ও ক্লিনিক মালিককে কারাদণ্ড পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫ম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন বাংলা নববর্ষের ইতি কথা ইতিহাস ঐতিহ্যে বাঙালির নববর্ষ মুন্সীগঞ্জে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে অভিযুক্ত ব্যক্তির প্রত্যাহারসহ সাত দিনের আলটিমেটাম বসন্তের শেষ লগনে ঝালকাঠির জলাশয়ের টগর ফুলের অপরূপ সৌন্দর্যে বিমোহিত পথচারীরা হারানো বিজ্ঞপ্তি কাউখালীতে সরকারি নির্দশনা অমান্য করে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখায় জরিমানা গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব হলেন হুমায়ুন রশিদ

ঝালকাঠিসহ দক্ষিনাঞ্চলে আগাম তরমুজ চাষে বিপ্লব

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬
  • ২৫৪ বার পড়া হয়েছে

ওমর ফারুক ঝালকাঠি প্রতিনিধি:

ঝালকাঠিসহ জেলার দক্ষিণাঞ্চলের নদীর চরভিত্তিক ক্ষেত জুড়ে দিগন্ত জোড়া সবুজের সমোরোহ। সবুজ পাতা আর লতার ভাজে ভাজে উঁকি দিচ্ছে ছোট- বড়ো আগাম জাতের তরমুজ। যা এখনো বিক্রি উপযুক্ত হয়নি। রমজান এবং ঈদ পরবর্তীকে ঘিরে বাড়তি লাভের আশায় এবার আগেভাগেই মাঠে তৎপর এ অঞ্চলের চাষিরা।জেলার বিভিন্ন উপজেলা এবং পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর চরাঞ্চলে এবার লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে বেশী জমিতে চাষ হয়েছে সুপার গ্রেড -১ জাতের তরমুজ। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলনের আশা চাষী ও কৃষি বিভাগের।জেলার রাজাপুর উপজেলার সাংগর,গোপালপুর, চরসাংগর, কেওতা, চরকেওতা, নলছিটি উপজেলার রানাপাশা ইউনিয়নের ভেরনবাড়িয়া গ্রামের বিষখালী নদীর চড়ে, ঝালকাঠি সুগন্ধা নদী, বিষখালী, গাবখান নদীর চরাঞ্চল এবং কাউখালির বেকুটিয়া নদীর তীরবর্তি, বেকুটিয়া সেতু সংলগ্ন বিশাল চরাঞ্চলে ব্যাপকহারে তরমুজ চাষে বিপ্লব হচ্ছে। এসব চর এখন মৌসুমি কৃষির প্রধান ভরসা।চাষীদের আশা আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এই আগাম জাতের তরমুজই বদলে দিবে তাদের ভাগ্য। বেকুটিয়া সেতু সংলগ্ন (পূর্বপার) তরমুজচাষী মোঃ মোস্তফা কামাল বলেন – আমার এখানে এবং ভোলায় তরমুজের ক্ষেত আছে, এখানে প্রায় ৫০ একর জমি লিজ নিয়ে আমার প্রায় কোটি টাকা খরচ হয়েছে, বর্তমানে আমাদের এখানের ক্ষেতের গাছে ছোট ছোট ফল এসেছে। গতবছর এখানে তরমুজ চাষে লাভ করতে পারিনি। এবছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দূর্যোগ, ঝর – তুফান, শিলাবৃষ্টি না হলে তিন থেকে চার কোটি টাকার তরমুজ বিক্রি করতে পারবো বলে আশা করছি।অল্প সময়ে বেশী বিনিয়োগ এবং বেশী পরিশ্রম করে তরমুজ চাষে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ লাভ করা সম্ভব। তাদের দাবী সরকারি ঋণসুবিধা ও চরে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হলে আরো বাড়বে চাষের পরিধি।রোদে পুড়ে দিন-রাত তরমুজ ক্ষেত ঘিরে পরিচর্যা কৃষকদের কর্মচাঞ্চল্য চোখে পড়ার মত। দিন-রাত পরিশ্রম করে ফলানো এই রসালো সবুজের ভিতর টকটকে লাল তরমুজ ঘিরেই এখন নতুন করে রঙিন স্বপ্ন বুনছেন এ জনপদের চাষিরা।ঝালকাঠি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানান – এবছর আবহাওয়া অনুকূলে যার ফলে রোগবালাই কম হওয়ায় বাম্পার ফলন হয়েছে। ফলে লাভবান হবেন কৃষকরা। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে তরমুজ চাষীদের সব ধরনের সহযোগিতা করা অব্যহত রয়েছে। বাজার ব্যাবস্থাপনা ও পরিবহন সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে চাষীরা ন্যায্য মূল্য পাবেন। সবকিছু ঠিক থাকলে এ মৌসুমে কয়েক কোটি টাকার অর্থনৈতিক প্রবাহ সৃষ্টি হবে। চরের সবুজ ক্ষেত এখন শুধু কৃষির প্রতীক নয়, সম্ভাবনারও প্রতিচ্ছবি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐘𝐄𝐋𝐋𝐎𝐖 𝐇𝐎𝐒𝐓