ওমর ফারুক ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
কোরবানির ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে জেলার বিভিন্ন এলাকার খুচরা বাজারে ততই বাড়ছে মসলার দাম। ব্যাবসায়ীরা বলেছেন ঈদ কেন্দ্রিক বাড়তি চাহিদার কারনে পাইকারি বাজার থেকেই দাম বেড়েছে। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ বাজারে কোনো পন্যের ঘাটতি নেই তার পরেও প্রতি বছর ঈদের আগে পরিকল্পিত ভাবে মসলার দাম বাড়ানো হয়। বাজার ঘুরে দেখা গেছে সব ধরনের মসলার পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। দোকানে জিরা, এলাচি, দারুচিনি, গোলমরিচ, লবঙ্গ, আদা, রোশন থেকে শুরু করে কিসমিস পর্যন্ত সব পন্যই পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু একমাসের আগের তুলনায় বেশিরভাগ পন্যের দাম বেড়েছে কেজিতে ৫০ টাকা থেকে ৪ শত টাকা পর্যন্ত। সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে এলাচে। বর্তমানে বাজারে মানভেদে এলাচে বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার থেকে সাড়ে ৫ হাজার টাকায়।বাজার করতে আসা ক্রেতারা অনেকেই বলেছেন কোরবানির ঈদে এমনিতেই বাড়তির খরচ। এর মধ্যে মসলার অ সাভাবিক দাম তাদের বাজেটকে আরো চাপে ফেলছে।স্কুল শিক্ষক শাহিন আলম জানান - আগে যে টাকায় এক মাসের মসলা কেনা যেতো এখন সেই টাকায় দুই সপ্তাহও চলেনা। বাজার মনিটরিং দুর্বল হওয়ায় অসাধু ব্যাবসায়ীরা এই সুযোগ হাতিয়ে নিচ্ছেন। মধ্যেবিত্ত পরিবারের অনেকেই এখন প্রয়োজনের তুলনায় কম মসলা কিনছেন বলেও জানান।অন্যদিকে ব্যাবসায়ীরা বলেছেন খুচরা বাজারে দাম বাড়ার জন্য তাদের দায়ী করা ঠিক হবে না। কারণ পাইকারি বাজারেই এখন বেশি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে। তাদের ভাষ্য আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি। ডলারের উচ্চ বিনিময় হার, এলসি খোলার জটিলতা এবং পরিবহন ব্যায় বৃদ্ধির কারনে আমদানি কারক দের খরচ অনেকটা বেড়ে যায়।