1. multicare.net@gmail.com : আমাদের পিরোজপুর ২৪ :
রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গলাচিপা চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস মুক্ত  ও উন্নয়নের রোল মডেলে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই – প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর ভান্ডারিয়ায় ১০ মন জাটকাসহ দুটি ট্রলার আটক, ৩ জনের কারাদন্ড পিরোজপুরে গ্রীন ফোর্সের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত গজারিয়ায় আগুনে পুড়ে নি:স্ব তিনটা পরিবার সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হিসেবে দেখতে চায় রোকেয়া হাসেমকে স্বপ্নের ঘরে নতুন করে বাঁচার ঠিকানা পেল আমিরুল জেসমিন দম্পতি না ফেরার পথে চলে গেলে সাবেক মেয়র শামীমুল ইসলাম ছানা বগুড়া-৬ উপনির্বাচনে আলোচনায় জুবাইদা জাইমা ও শর্মিলা মুন্সীগঞ্জে ভাষা দিবসের আলোচনা সভা ও বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ পিরোজপুরে ভাষা দিবসে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

দুর্নীতির মামলায় বরিশালের সাবেক ওসি ও স্ত্রীর কারাদণ্ড

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১২ জুলাই, ২০২৩
  • ৪৬২ বার পড়া হয়েছে

দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বরিশালের বরখাস্তকৃত ওসি ও রাজধানীর গুলশান জোনের সাবেক উপ-পরিদর্শক ফিরোজ কবিরের ছয় বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তার স্ত্রী সাবরিনা আহমেদকে চার বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। বুধবার(১২ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণা শেষে জামিনে থাকা দুই আসামিকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
কারাদণ্ডের পাশাপাশি ফিরোজ কবিরকে এক কোটি ৭৪ লাখ ৩৪ হাজার ৬৩৮ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। একই সঙ্গে ৮৭ লাখ ১৭ হাজার ১৯৪ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ফিরোজ কবির ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০১৬ সালের ৩১ মে পর্যন্ত এবি ব্যাংক গুলশান শাখার, ডাচ বাংলা ব্যাংক, গুলশান শাখার, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের গুলশান শাখার, ইসলামী ব্যাংক, গুলশান শাখা, ব্র্যাক ব্যাংক, গুলশান শাখার চলতি হিসাবের এবং তার স্ত্রী সাবরিনা আহমেদ ইভার নামে পরিচালিত ডাচ বাংলা ব্যাংকের গুলশান শাখার হিসাবে জ্ঞাত আয় বর্হভিূত সর্বমোট ৩০৯ দশমিক ৯৭ লাখ টাকা জমা করেন। তাদের ব্যাংক হিসাবে সমূহে পেশার সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিপুল অংকের লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। অধিকাংশ হিসাব খোলার সময় ফিরোজ কবির অর্থের উৎস চাকরি দেখিয়েছেন। কিন্তু যে ধরনের ও যে অংকের লেনদেন হয়েছে তা বেতন ভাতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। অর্থের উৎস সম্পর্কে অভিযুক্তরা কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা বা প্রমাণ দাখিলে ব্যর্থ হয়েছেন। এতে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয় যে, জমাকৃত উক্ত অর্থ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দুর্নীতি ও ঘুষ সংক্রান্ত সম্পৃক্ত অপরাধলব্ধ। এ অভিযোগে দুদকের সহকারী পরিচালক সৈয়দ আতাউল কবির ২০১৭ সালের ৩ অক্টোবর গুলশান মামলা করেন। মামলাটি তদন্তের পর ২০১৯ সালে দুদক এ মামলায় চার্জশিট দাখিল করে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐘𝐄𝐋𝐋𝐎𝐖 𝐇𝐎𝐒𝐓