1. multicare.net@gmail.com : আমাদের পিরোজপুর ২৪ :
বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০৮:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কাউখালীতে খাজনার বিপরীতে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগের ২দিন পর টাকা ফেরত দিলেন দলিল লেখক মুন্সীগঞ্জে চুরির অভিযোগে দুই জনকে পিটিয়ে হত্যা মুন্সীগঞ্জে চুরির অভিযোগে দুই জনকে পিটিয়ে হত্যা ভিক্ষা নয় ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে হবে – ইলিয়াস হোসেন মাঝি গজারিয়া মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় থানায় মিথ্যা অভিযোগ,যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলন কাউখালীর শামীমা পেলেন বরিশাল বিভাগীয় অদম্য নারী পুরষ্কার নেছারাবাদে চুরির অভিযোগে যুবককে মারধর, অভিমানে বিষপানে আত্মহত্যা সার ডিলার নীতিমালা বাতিলের দাবিতে পিরোজপুরে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান নাজিরপুরে জুয়ার টাকার ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্ব, শিক্ষকসহ সাইবার মামলায় গ্রেফতার-২ মুন্সিগঞ্জ শিলইয়ে শ্যামল বেপারী হত্যা ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৮ জনের যাবজ্জীবন

কাউখালীতে খাজনার বিপরীতে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগের ২দিন পর টাকা ফেরত দিলেন দলিল লেখক

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:

ভূমি কর (খাজনা) বিপরীতে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দলিল লেখক মুকুলে আজম লিটনের বিরুদ্ধে। এবিষয়ে ভুক্তভোগী জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।অভিযোগের ২ দিন পর ঘুষের টাকা ফেরত দিলেন দলিল লেখক।অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের গোসনতারা গ্রামের মাসুদ সরদার তার ক্রয়কৃত জমি রেজিস্ট্রি করার জন্য উপজেলা সাব রেজিস্টি অফিসে যান।সাব রেজিস্টি অফিস থেকে জমির হালনাগাদ খাজনার দাখিলা দাবী করেন। তিনি গোসনতারা মৌজার, জেলনং ১৯ খতিয়ান নং ২০৬, ১৬৬, ২৩,২৪ জমির খাজনার দাখিলার জন্য সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহসিলদার মোঃ কামাল হেসেন কাছে যান। তহসিলদার কাগজপত্র পর্যালোচনা করে জমির ৫৯ হাজার টাকা খাজনা বকেয়া রয়েছে বলে যানান। পরে তিনি বিষয়টি দলিল লেখক মুকুলে আজম লিটনকে জানালে তিনি ফোনে তহসিলদারের সঙ্গে কথা বলে ৪৫ হাজার টাকা হলে ওই জমির খাজনার দাখিল কাটা যাবে বলে যানান। ভুক্তভোগী দলিল লেখকের কথা মতন তার কাছে দাখিলা কাটানোর জন্য ৪৫ হাজার টাকা দেন। দলিল লেখক ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে জমির খাজনার দাখিল এনে জমি রেজিস্টির কাজ সম্পন্ন করেন।পরে দলিল লেখকের কাছে জমির খাজনার দাখিলার রশিদ চাইলে তিনি তা দিতে গড়িমসি করতে থাকেন। দীর্ঘদিন ঘোরার পর গত ২২ ফেব্রুয়ারী দাখিলার রশিদ দেন। যায় ২৩ নং খতিয়ানে ১১০ টাকা, ২৪ নং খতিয়ানে ১১২ টাকা, ১৬৬ নং খতিয়ানে ১০৫৮ টাকা এবং ২০৬ নং খতিয়ানে ১৭২১৮ টাকা সর্ব মোট ১৮৪৯৮ টাকার রশিদ প্রদান করেন। বাকী ২৬৫০২ টাকার বিষয়ে দলিল লেখক মুকুলে আজম লিটনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি সব টাকা তহসিলদারকে দিয়েছি। দলিল লেখকের কাছে বাকী টাকা চাইলে সে তালবাহানা শুরু করে এবং বলেন তহসিলদারের কাছ থেকে আমি বাকী টাকা আদায় করে দিবেন বলে যানান। ভুক্তভোগী ২ মার্চ রশিদের জমার চেয়ে অতিরিক্ত নেয়া টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত আবেদন করেন। এর ২ দিন পর দলিল লেখক মুকুলে আজম লিটন স্হানীয় ইউপি সদস্য মোঃ আজম আলী খানকে সঙ্গে নিয়ে অভিযুক্তের বাড়িতে গিয়ে ঘুষের টাকা ফেরত দেন।ভুক্তভোগী মাসুদ জানান, তাঁর কাগজে ভুল আছে বলে দাখিলার টাকার বাইরে আরও ৭ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল। সব টাকা দলিল লেখক লিটন আমার বাড়িতে এসে ইউপি সদস্য আজম আলীকে সঙ্গে নিয়ে ফেরত দিয়েছেন।এ বিষয়ে মুকুলে আজম লিটনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, একটি ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল, সমাধান হয়েছে। সদর ইউনিয়নের তহশিলদার কামাল হোসেন অতিরিক্ত টাকার বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানান।ইউপি সদস্য মোঃ আজম আলী খান বলেন, দলিল লেখক মুকুলে আজম লিটন গোসনতারা গ্রামের মাসুদ সরদারের কাছ থেকে জমি রেজিস্টির সময় নেয়া অতিরিক্ত ৩৩ হাজার ৫ শত টাকা আমার উপস্থিতিতে তার বাড়িতে গিয়ে ফেরত দিয়েছেন।এ বিষয়ে জানাতে চাইলে সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা মোঃ কামাল হোসেন বলেন, মাসুদ সরদার কয়েকটি জমির খাজনার দাখিলা কাটাতে আসলে আমি তাকে অনলাইনে খাজনা দেয়ার জন্য বলে। এখন সকল জমির খাজনা অনলাইনে নেয়া হয়। জমির মালিক তার জমির খাজনা নিজেই অনলাইনের মাধ্যমে দিতে পারেন। এখানে অতিরিক্ত টাকা নেয়ার কোন অপশন নেই।আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সাজানো ও বানানো।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐘𝐄𝐋𝐋𝐎𝐖 𝐇𝐎𝐒𝐓