নিজস্ব প্রতিনিধি :
আমরা হক্কানী পীর-মাশায়েখের হাতে হাত দিয়ে বাইয়াত হয়ে তরীক্বার চর্চা করি। সঠিকভাবে একজন ব্যক্তি তরীক্বার চর্চা করলে তার ‘আমিত্ব’ বিলীন হয়ে যায়। তরীক্বার চর্চা মানে শুধুই মহান আল্লাহর জিকির-আজকার ও দরূদ শরীফের আমল করা নয়, বরং নিজের নফস তথা আত্মাকে সংশোধন করা, এককথায় আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে নিজের জীবনকে সুন্দর করা।নিয়মিত তরীক্বার চর্চা করলে লোভ, হিংসা, অহংকারকে ধ্বংস করে বিনয়ী করে তোলে।হযরত পীর ছাহেব কেবলা আরও বলেন- এই তরীক্বার চর্চাই হলো আলোর পথ। যেখানে ‘আমি’ বলে কিছু থাকে না। এই পথের যারা পথিক হন তাদের সবকিছুই অর্জিত হয় কুরআন-সুন্নাহর পূর্ণাঙ্গ অনুসরণ ও অনুকরণ করা, শরীয়তের পূর্ণ আনুগত্য করা, বিশুদ্ধ আক্বীদা অনুযায়ী আমল করা, হক্কানী পীর-মাশায়েখের সাহচর্যে থাকার মাধ্যমে”। মনে রাখতে হবে “তরীকতের পথে সবচেয়ে বড় অন্তরায় হচ্ছে ‘আমিত্ব’। এটা সর্বদা স্মরণ রেখে বর্জন করলেই জীবন হবে সফলকাম। শনিবার (২৩ আগস্ট) ঢাকার বনানী খানকায়ে নেছারীয়া ছালেহীয়ায় বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের উদ্দ্যেগে আয়োজিত মতবিনিময় সভা ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা-২০২৫ এর সভাপতির আলোচনায় হযরত পীর ছাহেব কেবলা একথা বলেন।মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সিনিয়র নায়েবে আমীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা হাফেজ শাহ্ আবু বকর মোহাম্মদ ছালেহ নেছারুল্লাহ, নায়েবে আমীর আলহাজ্ব মাওলানা মির্জা মোঃ নূরুর রহমান বেগ, আলহাজ্ব ড. মাওলানা মোঃ কাফিলুদ্দীন সরকার ছালেহী, স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য ড. মুহা” আবদুর রশীদ, আলহাজ্ব মাওলানা আ. খ. ম. আবু বকর সিদ্দীক, নাজেমে আ’লা আলহাজ্ব ড. সৈয়দ মুহাঃ শরাফত আলী, অতিরিক্ত নাজেমে আ’লা আলহাজ্ব মাওলানা মোঃ আলী আকবর, যুগ্ম নাজেমে আ’লা আলহাজ্ব মাওলানা মোঃ রূহুল আমীন আফসারী, সাগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব মাওলানা মোঃ হেমায়েত বিন তৈয়্যেব, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সস্পাদক আলহাজ্ব ড. মাওলানা হাফেজ মোঃ রুহুল আমীন, প্রচার সম্পাদক আলহাজ্ব মাওলানা মোঃ ওসমান গণী ছালেহী, সহ-তা’লীমে তরীকত সম্পাদক আলহাজ্ব মাওলানা মোঃ সফিউল্লাহ আল মামুন প্রমূখ।