1. multicare.net@gmail.com : আমাদের পিরোজপুর ২৪ :
মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মুন্সীগঞ্জে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির চেষ্টা, সাবেক পুলিশ ও সেনা সদস্যসহ ৬ জন গ্রেফতার কাউখালীতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, ১ মোটরসাইকেল জব্দ কাউখালী বীর মুক্তিযোদ্ধা ইমাম মুয়াজ্জিমদের সঙ্গে সোহেল মনজুরের মতবিনিময় প্রবীণ অধিকার ও সুরক্ষা বিষয়ে পট গান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পিরোজপুরে অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত গজারিয়া ইত্তেফাকের সংবাদদাতার শ্বশুর গরীব হোসেন সিকদারের ইন্তেকাল কুষ্টিয়া ভেড়ামারা উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ মুন্সীগঞ্জে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া-কম্বল বিতরণ গজারিয়া নৈশ প্রহরীকে বেঁধে সংঘবদ্ধ ডাকাতি গজারিয়ায় বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক সভা ও দোয়া মাহফিল

দুই বন্ধু মাছ শিকারে গিয়ে গুলিতে  নিহতের ঘটনায় পাঁচ দিন পর হত্যা মামলা

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ১৪৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :

মেঘনা নদীতে মাছ শিকারে গিয়ে কুখ্যাত ডাকাত কানা জহির বাহিনীর সদস্যদের ছোড়া গুলিতে রাসেল ফকির (৩৩) ও রিফাত খান(২৮) গুলিবিদ্ধ হয়ে দুই বন্ধু মারা যান।নিহত রাসেল ফকির মুন্সীগঞ্জের ভাসানচর দক্ষিণ কান্দী গ্রামের কামাল ফকিরের ছেলে অপরজন রিফাত খান চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার পশ্চিম হানিফার গ্রামের আক্তার হোসেন খানের ছেলে।মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রবিউল হক।এর আগে গেল মঙ্গলবার রাত ১২টার পর রাসেল ফকিরের মা আনোয়ারা বেগম ১০জনের নাম অন্তভূক্ত করে অজ্ঞাতনামা আরও ১২ থেকে ১৩ জনকে আসামি করে চাঁদপুরের মতলব উত্তর থানায় মামলাটি করেন।স্থানীয় সূত্র জানান,গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে কালিরচর সংলগ্ন মেঘনা নদীতে মাছ ধরার জন্য বের হয় দুই বন্ধু রাসেল ফকির ও রিফাত খান। নদীতে দুই বন্ধু মাছ ধরার সময় ঘন কুয়াশার মধ্যে কয়েকটি ইঞ্জিন চালিত বোট ও স্পীডবোট থেকে এলোপাথাড়ি গুলি ছোড়ে কুখ্যাত ডাকাত কানা জহির বাহিনীর সদস্যেরা। তাদের ছুঁড়া গুলিতে রাসেল ফকির ও রিফাত খান গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর জখম হন। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় রাসেল ও রিফাত কে উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে রাসেল ও রিফাত মারা যান।তারা আরো জানান, কানা জহির একসময় বাবলা ডাকাতসহ কয়েকটি ছোট-বড় ডাকাত গ্রুপের হয়ে কাজ করত। পরে জহির ও তার ভাই শাহিন নিজেরাই তৈরি করে একটি সশস্ত্র ডাকাত দল, যার নাম হয় কানা বাহিনী। চাঁদাবাজি, ডাকাতি ও ডাকাতির বখরা আদায় করা তাদের মূল কাজ। কানা জহির বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ চরাঞ্চলের সাধারণ মানুষ। চরাঞ্চল দুর্গম হওয়ার সুযোগে এসব এলাকা এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে।নিহত রাসেল ফকিরের মা  আনোয়ারা বেগম বলেন, আমার ছেলের হত্যার বিচার চাই। অবিলম্বে আসামিদের গ্রেফতারের দাবি জানান তিনি।এবিষয়ে মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রবিউল হক  বলেন, সীমানা জটিলতার কারণে দেরি হয়েছে। সীমানা নির্ধারণের পর আমরা মামলা নিয়েছি। কুখ্যাত ডাকাত কানা জহিরের বিরুদ্ধে হত্যাসহ তার দুই ডজন মামলা রয়েছে। তাকে ও তার বাহিনীর সদস্যেদের গ্রেফতার করতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐘𝐄𝐋𝐋𝐎𝐖 𝐇𝐎𝐒𝐓