
ওমর ফারুক ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
ঋতুরাজ বসন্তের শেষ লগনে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য বাংলা নববর্ষকে বরণ করতে চলছে বেশ আয়োজন। মেঘমুক্ত রাতে চাঁদের রূপালী আলোয় মায়াবি প্রকৃতিকে যেনো বলছে নববর্ষের বোশেখ আসতে খুববেশি দেরি নাই। বিস্তির্ন জলাশয়ের গাঢ় সবুজের বুকচিরে হালকা গোলাপির মাঝে বেগুনি রঙে ফুটে ওঠা চোখ জুড়ানো নান্দনিক সৌন্দর্যে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে কচুরিপানা ফুলেরাও। এটাকে আবার আঞ্চলিক ভাষায় কেউ কেউ আবার এটাকে টগর ফুলও বলে থাকে। এ যেনো কোনো চিত্র শিল্পীর মনের মাধুরি মিশিয়ে রংতুলিতে নিখুঁতভাবে আকাঁ কোন ছবি।সবুজ পাতার ওপর শিশির বিন্দু বাংলাদেশের প্রাকৃতিক রূপবৈচিত্রকে তুলে অপরূপ সৌন্দর্যের দৃশ্য। সকাল বেলা হালকা শীত আর পরন্ত বিকেলে গতিহীন স্তব্ধতায় শান্তপ্রকৃতিতে গাঁয়ের মেঠোপথ ধরে হাটতে অন্যরকম অনুভূতির ছোঁয়া লাগে। এদেশের প্রকৃতি ও রূপবৈচিত্র আর সৌন্দর্য লীলাভূমি ধরে রেখেছে আমাদের কৃষক, চাষি ভাই আর এরাই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের রূপকার।ঝালকাঠি জেলা শহরের কলেজ রোড সংলগ্ন বিশাল জলাশয়ে, রাস্তার পাশে বিস্তীর্ন বদ্ধ পুকুরে ফোটা অযত্ন অবহেলায় বেড়েওঠা টগর ফুলগুলো কোনো সুবাস না ছড়ালেও নান্দনিক এ-দৃশ্য মনছুয়ে যায় প্রকৃতি প্রেমিদের। কোমলমতি শিশুদের খেলনার উপকরণ হিসেবে এ ফুল ভীষণ পছন্দ। পল্লী বধুরা এফুল আবার সব্জি হিসেবেও ব্যাবহার করে থাকেন। কচুরিপানা ফুল মুক্ত সৌন্দর্য ছড়ানোর পাশাপাশি এ উদ্ভিদ থেকে তৈরী জৈবসার কৃষি জমিতে ব্যাবহৃতহয়ে আসছে।এটি দেশীয় মাছের খাদ্য, বংশবিস্তারে এবং জলজপ্রানী রক্ষায় জলাশয়ে পানির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায় – জানান কচুরিপানা একধরনের বহুবর্ষজীবী ভাসমান উদ্ভিদ যা খুব দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে। এটি জৈবসার হিসেবে প্রস্তুত করে কৃষি জমিতে প্রয়োগকরে কৃষকরা ভালো ফলন পাচ্ছে।এছাড়াও এই উদ্ভিদ গোখাদ্যের চাহিদা মেটানো সহ বিভিন্ন কাজে ব্যাবহৃত হয়ে আসছে।