1. multicare.net@gmail.com : আমাদের পিরোজপুর ২৪ :
রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গজারিয়ায় ধর্ষণে দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী, ধামাচাপা দিতে মরিয়া প্রভাবশালী মহল বিশেষ প্রণোদনা’ পাচ্ছেন গোলাম আযমের ছেলে আযমী পিরোজপুর নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের শিরাবরণ ও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়ার আলোচিত বই কান্ডে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা কাউখালীতে গাঁজা গাছসহ যুবক আটক গলাচিপার জাতীয় পর্যায়ে বিজয়ী ৩ শিক্ষার্থী ও ২ শিক্ষককে সংবর্ধনা ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান হলেন ঝালকাঠির আহসান হাবীব গজারিয়ায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ময়লার স্তুপ থেকে নবজাতক উদ্ধার ফুলপুরে ইয়াবা সহ  মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ২ গজারিয়ায় শিক্ষার্থী হিমেলকে অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগে মানববন্ধন, জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি

গজারিয়ায় ধর্ষণে দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী, ধামাচাপা দিতে মরিয়া প্রভাবশালী মহল

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

মুন্সীগঞ্জে গজারিয়া উপজেলা প্রতিবেশী এক যুবকের ধর্ষণে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে,এ বিষয়ে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র বিচারের আশ্বাস দিয়ে ঐ কিশোরীর গর্ভপাত করানোর জন্য চাপ সৃষ্টি ও ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে মরিয়া হয়ে উঠছে বলেও জানা গেছে।চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নের পৈক্ষারপাড় নয়াকান্দি গ্রামে ঘটে।স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা হত দরিদ্র এবং মানসিকভাবে অসুস্থ,স্থানীয় বাজারে মানুষ কাছ থেকে সাহায্য নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে,তার মা স্থানীয় এক প্রতিবেশীর বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করতেন। গত ৭-৮ মাস আগে মায়ের মৃত্যুর পর প্রতিবেশী মহিউদ্দিনের ছেলে সাজিদের সাথে মেয়েটির সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বাবা মানসিক ভারসাম্যহীন এবং মা বেঁচে না থাকার সুযোগ নিয়ে সাজিদ একদিন মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সে বেশ কয়েকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। সম্প্রতি কিশোরীর শারীরিক পরিবর্তন দেখে পরিবারের সদস্যদের মনে সন্দেহের দানা বাঁধে।একপর্যায়ে পরিবারের জিজ্ঞাসাবাদে কিশোরীটি জানায় সে প্রায় দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়। ভুক্তভোগী পরিবারটি আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় কতিপয় মাতব্বর ও প্রভাবশালী ব্যক্তি তাদের বাধা দেন। তারা আদালতের বাইরে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে বিচার ও ক্ষতিপূরণ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখান। অভিযোগ উঠেছে, অভিযুক্তকে বাঁচাতে এবং ধর্ষণের আলামত নষ্ট করার উদ্দেশ্যে ওই প্রভাবশালী মহলটি কৌশলে ঘটনাটা সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষন ও দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা কিশোরীটির জোরপূর্বক গর্ভপাত করানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।ভুক্তভোগীর বড় ভাই বলেন, ​”এই ঘটনার সাথে সাজিদ জড়িত। তবে সে নিজেকে বাঁচাতে তার কয়েকজন বন্ধুর নাম জড়িয়ে বিষয়টিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছে। স্থানীয় মাতব্বরেরা আমাদের বিষয়টি মীমাংসা করে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়ায় এবং আইনি পদক্ষেপ নিতে নিষেধ করায় এতদিন আমরা কিছু করিনি। কিন্তু তাদের ওপর আস্থা রাখতে না পেরে আমরা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।”এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাজিদের বক্তব্য জানতে তার বাসায় গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। স্থানীয়রা জানান, গতকাল বিকেল থেকেই সে আত্মগোপনে রয়েছে।​এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে স্থানীয় ইউপি সদস্য ফিরোজ প্রধান বলেন,বিষয়টা শুনেছি,ধর্ষন সংক্রান্ত বিষয় হওয়ায় ভুক্তভোগীকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।এই বিষয়ে গজারিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সাব্বির হোসেন বলেন, “এ বিষয়ে  ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐘𝐄𝐋𝐋𝐎𝐖 𝐇𝐎𝐒𝐓