1. multicare.net@gmail.com : আমাদের পিরোজপুর ২৪ :
শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গলাচিপায় ‘গুপ্ত রাজনীতি’ ইস্যুতে দেয়াল লিখনে উত্তেজনা, মুখোমুখি ছাত্রসংগঠন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য হলেন সাংসদ কামরুজ্জামান রতন নিজের বাল্যবিবাহ বন্ধ করা ছাত্রীকে জেলা প্রশাসনের ‘কন্যা সাহসিকা’ স্মারক প্রদান ঝালকাঠি পৌরসভায় ৫ একর জমিতে নির্মিত হচ্ছে আধুনিক সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্লান্ট যতদিন বেঁচে থাকবো দলের নেতাকর্মীদের পাশে থাকবো — জিবা আমিনা আল গাজী ফুলপুরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির  মাসিক সভা অনুষ্ঠিত   নাজিরপুরে শিক্ষকের বাড়িতে ডাকাতির চেষ্টা, সংঘর্ষে নিহত-১ মঠবাড়িয়ায় ভুয়া হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ গ্রেফতার: ২ বছরের কারাদণ্ড কাল পৈতৃক নিবাস বগুড়ায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাউখালীতে মারকাজুল কুরআন মাদ্রাসার বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

ঝালকাঠিতে জন্ম সনদে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ মার্চ, ২০২৫
  • ১৬০ বার পড়া হয়েছে

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার মঠবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের এক প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জন্ম নিবন্ধন সনদ প্রদানে ৫ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুধু মঠবাড়ি নয়, উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন পরিষদেই জন্মসনদ গ্রহণ ও সংশোধনে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।সোমবার (১৭ মার্চ) দুপুরে উপজেলার মঠবাড়ি ইউনিয়নের বাগড়ি গ্রামের বাসিন্দা মো. কবির সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে জানান, দীর্ঘদিন এলাকায় না থাকায় তিনি আগে কোথাও জন্ম নিবন্ধন করতে পারেননি। পরে ইউনিয়ন পরিষদের নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করেন। তবে মঠবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান তার কাছে ৫ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন।কবির খান বলেন, ‘প্রথমে ঘুষ দিতে রাজি হইনি, কিন্তু তিনি নানা অজুহাতে আমার আবেদন ফেলে রাখেন। পরে নিরুপায় হয়ে টাকা দিলে সেদিনই জন্মসনদ পাই।তিনি আরও অভিযোগ করেন,প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান ইউনিয়নে যোগদানের পর থেকেই নিয়ম বহির্ভূতভাবে ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ করেন না। ঘুষ না দিলে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়। তবে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, ‘মো. কবির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঠিকভাবে দিতে না পারায় তার জন্মসনদ তৈরিতে বিলম্ব হয়েছে। বিলম্ব হওয়ায় তিনি মিথ্যা অভিযোগ করছেন। বিষয়টি জেলা প্রশাসক ও ইউএনও মহোদয়কে জানানো হয়েছে।রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাহুল চন্দ বলেন, ‘এর আগেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আসায় সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও অভিযোগ আসছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়ন পরিষদেও অনিয়মের অভিযোগ থাকায় স্থানীয়দের দাবি, দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের দুর্নীতি করতে সাহস না পায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐘𝐄𝐋𝐋𝐎𝐖 𝐇𝐎𝐒𝐓