1. multicare.net@gmail.com : আমাদের পিরোজপুর ২৪ :
বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কাউখালী শহর জুড়েই এখন জমজমাট ঈদ বাজার রাঙাবালীতে কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডব: ব্যাপক ঘরবাড়ি ও প্রতিষ্ঠানের ক্ষয়ক্ষতি গলাচিপা- রাঙ্গাবালী মানুষের স্বপ্নের  রাবনাবাদ সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগের নতুন যাত্রা ঝালকাঠি পৌরসভার খাল খননে পুকুর চুরি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে আনুষ্ঠানিক নোটিশ খাল খননের মাধ্যমে এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে : আহম্মদ সোহেল মনজুর কাউখালীতে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মনিবুর রহমান স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ঝালকাঠি জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন এড. শাহাদত ত্যাগীনেতার মূল্যায়নে উচ্ছাসিত নেতাকর্মীরা পিরোজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন নেছারাবাদে ‎মাথাবিচ্ছিন্ন লাশ উদ্ধারের ঘটনায় অভিযুক্ত দুইজনই গ্রেফতার বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবসে পিরোজপুরে র‍্যালি ও প্রতিবাদ সভা

মেঘনায় রেললাইন নির্মাণে ক্ষতির শঙ্কা, ১৯ গ্রাম ঝুঁকিতে বিকল্প রুটের দাবি এলাকাবাসীর

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫
  • ২০৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার উপর দিয়ে নারায়ণগঞ্জ-লাকসাম নতুন রেললাইন নির্মাণের প্রাথমিক জরিপে অন্তত ১৯টি গ্রাম ঝুঁকির মধ্যে পড়তে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। তাদের আশঙ্কা, প্রস্তাবিত রুট বাস্তবায়িত হলে অসংখ্য পরিবারের বসতবাড়ি, ভিটেমাটি এবং ফসলি জমি ধ্বংস হয়ে যাবে। গত বুধবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে মেঘনা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে এ বিষয়ে একটি লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, “রেললাইনটি জনবসতিপূর্ণ এলাকার উপর দিয়ে গেলে বহু পরিবার বাস্তুচ্যুত হবে এবং জীবিকা হারাবে।” মেঘনাবাসীর পক্ষে আবেদন জমাদানকারী মেম্বার মোহাম্মদ দিদার আহমেদ ঐশী বাংলা’কে বলেন, “আমরা উন্নয়নের বিরুদ্ধে নই। আমরা রেললাইন চাই, কিন্তু মানুষের ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি ধ্বংসের বিনিময়ে নয়। সরকারের কাছে আমাদের একান্ত অনুরোধ, বিকল্প রুট নির্ধারণ করা হোক। আবেদনপত্রে গ্রামবাসীর দাবি যদি সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রেললাইন নির্মাণ করতেই হয়, তবে যেন খালি মাঠ বা অনাবাদি জমির মধ্য দিয়ে রুট নির্ধারণ করা হয়। এতে সাধারণ মানুষের বড় ধরনের ক্ষতি অনেকাংশে কমবে বলে তাদের মত।মোহাম্মদ দিদার আহমেদের স্বাক্ষরিত দরখাস্তের সঙ্গে স্থানীয় অসংখ্য ভুক্তভোগী মানুষের গণস্বাক্ষর সংযুক্ত করা হয়েছে। তারা আশা করছেন, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে এবং মেঘনার জনজীবন বাঁচাতে বিকল্প সিদ্ধান্ত নেবে।এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হ্যাপি দাস বলেন, এখানে আমার কিছু করার নেই তবে আপনাদের দরখাস্তটি আমি সম্মানিত ডিসি মহোদয়ের বরাবরে পাটাবো বাকিটা নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ দেখবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐘𝐄𝐋𝐋𝐎𝐖 𝐇𝐎𝐒𝐓