1. multicare.net@gmail.com : আমাদের পিরোজপুর ২৪ :
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নিজের বাল্যবিবাহ বন্ধ করা ছাত্রীকে জেলা প্রশাসনের ‘কন্যা সাহসিকা’ স্মারক প্রদান ঝালকাঠি পৌরসভায় ৫ একর জমিতে নির্মিত হচ্ছে আধুনিক সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্লান্ট যতদিন বেঁচে থাকবো দলের নেতাকর্মীদের পাশে থাকবো — জিবা আমিনা আল গাজী ফুলপুরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির  মাসিক সভা অনুষ্ঠিত   নাজিরপুরে শিক্ষকের বাড়িতে ডাকাতির চেষ্টা, সংঘর্ষে নিহত-১ মঠবাড়িয়ায় ভুয়া হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ গ্রেফতার: ২ বছরের কারাদণ্ড কাল পৈতৃক নিবাস বগুড়ায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাউখালীতে মারকাজুল কুরআন মাদ্রাসার বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত দেশে এই সন্ধিক্ষণে চাই ঐক্যের রাজনীতি – ইলিয়াস হোসেন মাঝি গলাচিপায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গ্রামীণ ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু

নেছারাবাদে একুশের প্রথম প্রহরে অনুপস্থিতি: শহীদ মিনারে না গিয়ে বিতর্কে জামায়াত

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৯৬ বার পড়া হয়েছে

নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি নেছারাবাদ উপজেলা শাখার নেতাকর্মীরা ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে প্রশাসনের কাছে নাম নিবন্ধন করেও দিবসের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে উপস্থিত হননি। উপস্থাপক একাধিকবার তাদের ডাকলেও তারা ফুল হাতে বা খালিহাতে স্বশরীরে আসেননি। এমন অভিযোগ ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে কৌতূহল ও আলোচনা তৈরি হয়েছে। উপজেলার অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।প্রশাসনিকভাবে নাম অন্তর্ভুক্ত করার পরও কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ না করাকে অনেকেই দায়িত্বশীল আচরণের পরিপন্থী বলে মন্তব্য করছেন। সচেতন মহলের মতে, ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন একটি সর্বজনীন ও দলমত-নির্বিশেষ জাতীয় দায়িত্ব; সেখানে অবহেলার কোনো সুযোগ থাকা উচিত নয়।স্বরূপকাঠি পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. ওয়াহিদুজ্জামান মানিক বলেন, দিবসের প্রথম প্রহরে নেছারাবাদের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দেওয়ার সময় তিনি প্রশাসনের প্রাপ্ত তালিকা থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি নেছারাবাদ উপজেলা ও পৌর শাখার নির্ধারিত ব্যক্তিদের একাধিকবার নাম ধরে ডাকেন। তবে শহীদ মিনারের আশপাশে তাদের কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।এ বিষয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি নেছারাবাদ উপজেলা শাখার অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মাওলানা মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য প্রশাসন তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করেছিল। আমাদের সভাপতি একটু অসুস্থ ছিলেন, আবার আরেকজন আসেননি। এজন্য ফুল দিতে যাওয়া হয়নি। তবে আমরা প্রভাতফেরিতে অংশগ্রহণ করেছি, বলেন তিনি।সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুর রশিদ বলেন, আমরা অবহেলা থেকে ফুল দিতে যাইনি; এটা বলা ঠিক হবে না। মূলত রমজানের কারণে কিছু সমস্যা হয়ে যায়। এজন্য যাওয়া হয়নি।দলের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমি একটু অসুস্থ ছিলাম। তবে দলের কয়েকজনকে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য বলা হয়েছিল। কেন তারা যায়নি, তা বলতে পারি না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐘𝐄𝐋𝐋𝐎𝐖 𝐇𝐎𝐒𝐓