
ওমর ফারুকঃ
ঈদের বাকী আর মাত্র ক’ দিন। তাই ঈদের উৎসবের আমেজ বইতে শুরু করেছে দখিন জনপদের বানিজ্যিক উপজেলা কাউখালী শহর জুড়ে। বিশেষ করে ঈদ মার্কেটে। অভিজাত বিপণী বিতান দোকান গুলোতো বটেই ফুটপাতেও সাজিয়ে বসেছে নজকাড়া ঈদের পসরা। পথে ঘাটে ওলি- গলিতেও এখন শুধুই ঈদের আমেজ।মাসজুড়ে সিয়াম সাধনা শেষে রমজানের বাঁকা চাঁদের পালকী চড়ে ঈদ আসে ভাবগাম্ভীর্য মানুষে মানুষে সৌহার্দ্য আর অনাবিল আনন্দের বার্তা বয়ে। তাই ঈদের দিনটি সবার জন্য বিশেষ তাৎপর্যময় হয়ে ওঠে।আর শিশু- কিশোর, তরুন – তরুনীদের জন্য অধীর অপেক্ষার এই ঈদ শুভক্ষণ। তাই ঈদ ঘনিয়ে আসছে যতই ততই ভীর বাড়ছে সব বিপনি বিতানে। নাড়ির টানে দুরদুরান্ত থেকে প্রিয় জনের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে বাসে – লঞ্চে চেপে মানুষ জন ছুটে আসছে বাড়ি।

ফলে দোকান পাট ছাড়াও পথে ঘাটে লক্ষনীয় মানুষের উৎসবের আমেজ।এবছর ঈদ পোশাকের পাশাপাশি ভিন্ন আয়োজনেও নানা বৈচিত্র্যময় পসরা সাজিয়েছে দোকানীরা।ভারতীয় পোশাকের আধিপত্য না থাকায় দেশীয় পোশাকের রয়েছে বেশ কদর। বিশেষ করে পাঞ্জাবি, শাড়ি, থ্রি পিচ আর শিশুদের ফ্রগ – টিশার্ট ক্রেতাদের বেশি পছন্দের। কাউখালির দক্ষিন বাজার, মধ্যবাজার উত্তর বাজার সহ অলিগলির ঈদ মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে নজর কাড়া দেশীয় সব আয়োজন তাই এবছর মারখাচ্ছে ভারতীয় পোশাক। দোকানির জানান কাউকে চাদা দিতে হয়না বিধায় তাদের বিক্রি মোটের ওপর ভালো তাই বিগতদিনের ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে উঠতে পারবেন। অন্যদিকে ক্রেতারা জানান দাম কিছুটা বেশী, সবকিছুর আয়োজন সমাপ্তিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

কেবল পোশাক মার্কেট ই নয় জমেছে জুতা, স্যান্ডেল সহ প্রসাদনীর বাজারও। নিন্ম আয়ের মানুষ ভীর করছে ফুটপাতের সাজনি আর মধ্যবিত্তদের পোশাকের স্টলে। বেশীর ভাগ পরিবারেই আয়ের থেকে সংসারে ব্যায় অনেকটা বেশী তাই সবকিছু সাধ্যের সিমানা ছাড়িয়ে পড়ে। এদিকে ঈদকে কেন্দ্র করে মার্কেটে টাকার খ্লো বেড়েছে। এছাড়াও ঈদ উপলক্ষে দেশে রেকর্ড সংখ্যক রেমিটেন্স এসেছে যা অর্থনীতিতে ব্যাপক চাঙা রাখতে সহায়তা করেছে।