1. multicare.net@gmail.com : আমাদের পিরোজপুর ২৪ :
রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গলাচিপায় ‘গুপ্ত রাজনীতি’ ইস্যুতে দেয়াল লিখনে উত্তেজনা, মুখোমুখি ছাত্রসংগঠন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য হলেন সাংসদ কামরুজ্জামান রতন নিজের বাল্যবিবাহ বন্ধ করা ছাত্রীকে জেলা প্রশাসনের ‘কন্যা সাহসিকা’ স্মারক প্রদান ঝালকাঠি পৌরসভায় ৫ একর জমিতে নির্মিত হচ্ছে আধুনিক সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্লান্ট যতদিন বেঁচে থাকবো দলের নেতাকর্মীদের পাশে থাকবো — জিবা আমিনা আল গাজী ফুলপুরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির  মাসিক সভা অনুষ্ঠিত   নাজিরপুরে শিক্ষকের বাড়িতে ডাকাতির চেষ্টা, সংঘর্ষে নিহত-১ মঠবাড়িয়ায় ভুয়া হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ গ্রেফতার: ২ বছরের কারাদণ্ড কাল পৈতৃক নিবাস বগুড়ায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাউখালীতে মারকাজুল কুরআন মাদ্রাসার বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

গলাচিপার সুতাবাড়ীয়ায় ৩৬ হিন্দু শহীদের বধ্যভূমিতে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬
  • ১৮৫ বার পড়া হয়েছে

আল মামুন গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধ:

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চিকনিকান্দি ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের সুতাবাড়ীয়া গ্রামে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের ৩৬ জন শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের বধ্যভূমিতে অবশেষে নির্মিত হয়েছে একটি স্মৃতিস্তম্ভ। স্বাধীনতার দীর্ঘ ৫৪ বছর পর এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হওয়ায় এলাকাজুড়ে স্বস্তি ও আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. মাহমুদুল হাসানের উদ্যোগে স্মৃতিস্তম্ভটি স্থাপন করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৭১ সালের ৮ই মে আনুমানিক দুপুর ১১টার দিকে হানাদার বাহিনী এ এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তার দুই পাশে থাকা হিন্দু সম্প্রদায়ের যাকে পেয়েছে তাকেই নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে। ওই নৃশংস ঘটনায় সুতাবাড়ীয়া গ্রামের ৩৬ জন নিরীহ মানুষ শহীদ হন।দীর্ঘদিন ধরে শহীদদের স্বজন, স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায় এবং গলাচিপা উপজেলার সাধারণ মানুষের দাবি ছিল—এই বধ্যভূমিতে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হোক। অবশেষে স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর সেই প্রত্যাশা পূরণ হওয়ায় এলাকাবাসী সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং ইউএনও’র প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।এ বিষয়ে ইউএনও মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, “চিকনিকান্দি ইউনিয়নের এই বধ্যভূমিকে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে যারা আত্মত্যাগ করেছেন, তাঁদের স্মৃতি সংরক্ষণে আমরা সবসময়ই সচেষ্ট।”তিনি আরও জানান, “বর্তমানে সুতাবাড়ীয়া গ্রামের ৩৬ জন শহীদের সমাধিস্থলে ছোট পরিসরে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে।ভবিষ্যতে বৃহৎ পরিসরে বধ্যভূমিটি সংরক্ষণ ও উন্নয়নের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সহযোগিতা নেওয়া হবে।” শহীদ পরিবারের সদস্যরা জানান, স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ হওয়ায় তারা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। একইসঙ্গে তারা ভবিষ্যতে বধ্যভূমির পূর্ণাঙ্গ সংরক্ষণ এবং শহীদ পরিবারের অসহায় সদস্যদের সহযোগিতার দাবি জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐘𝐄𝐋𝐋𝐎𝐖 𝐇𝐎𝐒𝐓