1. multicare.net@gmail.com : আমাদের পিরোজপুর ২৪ :
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কাল পৈতৃক নিবাস বগুড়ায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাউখালীতে মারকাজুল কুরআন মাদ্রাসার বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত দেশে এই সন্ধিক্ষণে চাই ঐক্যের রাজনীতি – ইলিয়াস হোসেন মাঝি গলাচিপায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গ্রামীণ ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু কাউখালীর শহীদ স্মৃতি বালিকা বিদ্যালয়ে সচেতনতা মূলক প্রশিক্ষণ ও এসএসসি শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে চালু হলো ‘স্মার্ট ফুয়েল’ অ্যাপ মুন্সিগঞ্জ টঙ্গীবাড়িতে পৃথক বজ্রপাতে প্রাণ গেল দুই কিশোরের ফেরি থেকে নদীতে প্রাইভেট কার গলাচিপা ভাইয়ের হাতে ভাই খুন কাউখালীতে খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন

চট্টগ্রাম বন্দরে হঠাৎ রাশিয়ার যুদ্ধজাহাজ

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৩১০ বার পড়া হয়েছে

হঠাৎ করেই রাশিয়ার একটি নৌবহর চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে।গত ৫০ বছরে এই প্রথম কোনো রুশ যুদ্ধজাহাজ বাংলাদেশের বন্দরে এলো।রোববার (১২ নভেম্বর) ঢাকায় অবস্থিত রাশিয়ান দূতাবাস এক বার্তায় এসব তথ্য জানায়।প্যাসিফিক ফ্লিট নামে এই নৌবহরে অ্যাডমিরাল ট্রাইবাটস ও অ্যাডমিরাল প্যান্টেলেভ নামে দুটি সাবমেরিন বিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজ রয়েছে।পেচেঙ্গা নামে একটি ট্যাঙ্কারও আছে এই বহরে।রুশ দূতাবাস জানায়, রাশিয়ান প্যাসিফিক ফ্লিট স্কোয়াড্রন চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করছে, যা রাশিয়া-বাংলাদেশ সম্পর্কের জন্য একটি বিশাল মাইলফলক।৫০ বছর আগে সোভিয়েত ইউনিয়নের (বর্তমান রাশিয়া) নৌবাহিনীর জাহাজ শেষবার বাংলাদেশের বন্দর পরিদর্শন করেছিল।রাশিয়ান দূতাবাস আরও জানায়, ৫ দশক আগে রুশ নৌবহর এসেছিল মূলত সদ্য স্বাধীন হওয়া একটি দেশকে মানবিক বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করতে।স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বন্দরে অনেক মাইন বসানো হয়েছিল।এ কারণে অনেক জাহাজ ডুবে গিয়েছিল।সে সময় এই মাইন সমস্যা সমাধানে সহায়তার জন্য বাংলাদেশ সরকার অনেক দেশের কাছেই আবেদন জানিয়েছিল।কিছু দেশ সেই আবেদনে সাড়া দিয়েছিল।কিন্তু বিনিময়ে অনেক অর্থ দাবি করেছিল তারা; যা বাংলাদেশের ছিল না।তখন সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান রাশিয়া) একমাত্র দেশ হিসেবে মানবিক কারণে সহায়তা দিতে সম্মত হয়েছিল। এরপর সমস্যা সমাধানে মাইন ক্লিয়ারিং অপারেশন নামে একটি অভিযান চালানো হয়। সোভিয়েত নৌবাহিনীর ৮ শতাধিক নাবিক ২৬ মাস ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম করে চট্টগ্রাম বন্দরের মাইন অপসারণ করে; যা ১৯৭২ সালের এপ্রিলে শুরু হয়ে ১৯৭৪ সালের জুন পর্যন্ত চলে।সেই অভিযানে এক রুশ নৌডুবুরি মারা যান।তবে শেষ পর্যন্ত সোভিয়েত নৌসেনারা তাদের লক্ষ্য অর্জন করে এবং চট্টগ্রাম বন্দরে সারা বিশ্ব থেকে জাহাজ আসা-যাওয়ার পথ সুগম হয়।উল্লেখ্য, ১৯৭২ সালের মার্চে আসা সোভিয়েত নৌবাহিনীর প্রতিনিধি দলটি ভাইস অ্যাডমিরাল সের্গেই জুয়েঙ্কোর নেতৃত্বে ১ হাজার নাবিকের একটি বিশেষ টাস্কফোর্স মাইন অপসারণের কাজ শুরু করে।ওই অভিযানে অংশ নিয়েছিল দেশটির ২৪টি জাহাজ। (সংবাদটি কালবেলা থেকে সংগৃহীত)

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐘𝐄𝐋𝐋𝐎𝐖 𝐇𝐎𝐒𝐓