1. multicare.net@gmail.com : আমাদের পিরোজপুর ২৪ :
বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ০১:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পরিবেশ দূষণে জনস্বাস্থ্যে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে — ডাঃ জিয়া উদ্দীন হায়দার স্বপন গজারিয়ায় ভাড়া বাসা থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার কাউখালীতে নিখোঁজের ৬ ঘণ্টা পর নদী থেকে মাদরাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার মঠবাড়িয়ায় শিক্ষক দম্পত্তির স্কুল পড়ুয়া কন্যার আত্মহত্যা  মঠবাড়িয়ায় ফুটপাত দখলমুক্ত করতে প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান সৌদির সঙ্গে মিল রেখে পিরোজপুরে তিন উপজেলায় ঈদ উদযাপন মঠবাড়িয়ায় এ্যালামনাই-৯৫ এর কমিটি গঠন, ইসমাইল আহবায়ক ও বাদল সদস্য সচিব গজারিয়ায় অবৈধ চুনা কারখানা শুরুর আগেই উচ্ছেদ কাউখালী শহর জুড়েই এখন জমজমাট ঈদ বাজার রাঙাবালীতে কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডব: ব্যাপক ঘরবাড়ি ও প্রতিষ্ঠানের ক্ষয়ক্ষতি

ভেড়ামারায় তহসিলদারের ঘুষ বাণিজ্যে অতিষ্ঠ ভুক্তভোগীরা,অভিযোগ করেও মিলছে না সুরাহা

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১১ মে, ২০২৪
  • ১৭৩ বার পড়া হয়েছে

নাসিম উদ্দীন ভেড়ামারা প্রতিনিধিঃ

কুষ্টিয়া ভেড়ামারার মোকাররমপুর ইউনিয়নের ভূমি অফিসের তহসিলদার শরিফুল ইসলামের ঘুষ বাণিজ্যে অতিষ্ঠ ভুক্তভোগীরা।ইচ্ছামতো সময় নিয়ে ও অতিরিক্ত টাকা ছাড়া তিনি কোন কাজই করেন না বলে অভিযোগ করেছেন সেবা গ্রহীতারা।এ বিষয়ে জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগপত্র দিয়েও তার বিরুদ্ধে কোনরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন ভূমি মালিকগণ।নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ভূমি কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন,”দৌলতপুর উপজেলার মৃত জিয়াউল হকের ছেলে তিনি।দৌলতপুর ছাড়াও ভেড়ামারার বিলশুকা ও কুষ্টিয়ার মজমপুরে তার বাড়ি রয়েছে।তিনি ম্যানেজ করে চলেন তাই অভিযোগ উঠলেও তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয় না।” গত বৃহস্পতিবার (৯ মে) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,সেবা নিতে আসা অধিকাংশ ব্যক্তি এর আগেও একাধিকবার এসেছেন।তহসিলদার শরিফুল ইসলাম সেদিনও তাদের ফিরিয়ে দিচ্ছিলেন। সাংবাদিক দেখে কয়েকজনের কাজ করে দিলেও কালবেলাসহ উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি ছবি তুলে রাখেন।সাংবাদিকদের হুমকি দিয়ে বলেন,”আমি লিখতে পারি, লিখাতেও পারি।স্থানীয় ও এলাকাবাসী সূত্রে আরও জানা গেছে,শরিফুলের টার্গেট অসহায় ও দরিদ্র কৃষক। তার নিকট কেউ কাজের জন্যে গেলে নানা অজুহাতে দিনের পর দিন ঘুরিয়ে বাড়িতে লোক দিয়ে কাজ করাবে বলে অতিরিক্ত টাকা নেয়। যা নেয় তার অর্ধেকেরও কম রশীদ করে।৩০০ টাকার কমে একটি পর্চাও মেলে না।সে এখানে ৬ বছর ধরে আছে।কিছু বললেই বলে উপরে লোক আছে, কিচ্ছু হবেনা।খেমিরদিয়ার থেকে আসা মালেকা খাতুন বলেন,”গত তিনদিন থেকে ঘুরছি এখনো কাজ হয়নি।ভুক্তভোগী সামিরুন বেগম বলেন, ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে কাজের জন্য টাকা দিয়েছি এখনো কাজ হয়নি।বাহাদুরপুরের কৃষক জমিন মণ্ডল বলেন,”আমি তহসিলদারকে(শরিফুল) জমি খারিজের জন্য ১০ হাজার ৫০০ টাকা দিয়েছি।আর সে দাখিলা কেটেছে ৭ হাজার ৩০০ টাকার।বাদবাকি পকেটে ভরেছে।
ফার্নিচার ব্যবসায়ী আসাদুল বলেন, “আমার ভূমি অফিসের পাশে বাড়ি হওয়ায় ৩০০ টাকা নেওয়ার শর্তে ৫ হাজার টাকার কাজ সে ১৬০০ টাকায় করে দিয়েছে।বিভিন্ন জায়গায় বাড়ি থাকার কথা স্বীকার করলেও শরিফুল ইসলাম বলেন,”আমি কোন অনিয়ম-দুর্নীতি করি না।একটি ছেলে দিয়ে বাড়িতে কাজ করায়।তাকেও নিজে বেতন দেয়।উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) আনোয়ার হোসেন বলেন, শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ পড়েছে, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐘𝐄𝐋𝐋𝐎𝐖 𝐇𝐎𝐒𝐓