1. multicare.net@gmail.com : আমাদের পিরোজপুর ২৪ :
মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৪:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কাউখালীতে নিখোঁজের ৬ ঘণ্টা পর নদী থেকে মাদরাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার মঠবাড়িয়ায় শিক্ষক দম্পত্তির স্কুল পড়ুয়া কন্যার আত্মহত্যা  মঠবাড়িয়ায় ফুটপাত দখলমুক্ত করতে প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান সৌদির সঙ্গে মিল রেখে পিরোজপুরে তিন উপজেলায় ঈদ উদযাপন মঠবাড়িয়ায় এ্যালামনাই-৯৫ এর কমিটি গঠন, ইসমাইল আহবায়ক ও বাদল সদস্য সচিব গজারিয়ায় অবৈধ চুনা কারখানা শুরুর আগেই উচ্ছেদ কাউখালী শহর জুড়েই এখন জমজমাট ঈদ বাজার রাঙাবালীতে কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডব: ব্যাপক ঘরবাড়ি ও প্রতিষ্ঠানের ক্ষয়ক্ষতি গলাচিপা- রাঙ্গাবালী মানুষের স্বপ্নের  রাবনাবাদ সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগের নতুন যাত্রা ঝালকাঠি পৌরসভার খাল খননে পুকুর চুরি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে আনুষ্ঠানিক নোটিশ

নেছারাবাদে টেকনিশিয়ানের ভুল রিপোর্টে পা হারাল স্কুল ছাত্র

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১৬৩ বার পড়া হয়েছে

নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:

পিরোজপুরের নেছারাবাদের হেলথ কেয়ার ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের টেকনিশিয়ানের ভূল রিপোর্টের কারণে মো. জিহাদুল ইসলাম (১৪) নামের এক স্কুল ছাত্রের পা হারানোর অভিযোগ উঠেছে।জিহাদ উপজেলার সোহাগদল গ্রামের মো. আমিনুল ইসলাম মিলন মিয়ার ছেলে ও স্বরূপকাঠি কলেজিয়েট একাডেমির নবম শ্রেণির ছাত্র।এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে ওই স্কুল ছাত্রের সহপাঠীরা হেলথ কেয়ার ডায়াগনষ্টিক সেন্টার ঘেরাও করে। পরে ডায়াগনষ্টিক সেন্টারটি বন্ধ ঘোষনা করা হয়। জিহাদের পিতা আমিনুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, গত বিশ দিন পুর্বে তার ছেলে মোটর সাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে ডান পায়ের গোড়ালিতে ব্যথা পান। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডান পায়ের গোড়ালী এক্স-রে করার জন্য প্রেসক্রিপশনে লিখে দেন। তিনি জিহাদের পা এক্স-রে করানোর জন্য হাসপাতাল সংলগ্ন হেলথ কেয়ার ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের নিয়ে গেলে সেখানকার টেকনিশিয়ান পায়ের গোড়ালীর পরিবর্তে হাটুর এক্স-রে করেন। হাসপাতালের ডাক্তার সে রিপোর্ট অনুযায়ী হাটু ব্যান্ডেজ করে দেন। এর কয়েক দিনের মধ্যে তার পায়ে পচন ধরে। জিহাদের অবস্থা খারাপ হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার পিজি হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানকার চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে দেখেন ছেলের পায়ের গোড়ালীর রগ ছিড়ে গিয়েছিল। ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের ভূল রিপোর্টে ভুল চিকিৎসায় তার পায়ের ভিতর পঁচে গেছে। পরে সেখানকার ডাক্তাররা বোর্ড বসিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে ছেলের পা কেটে ফেলেছেন।আমি এর উপযুক্ত বিচার চাই।হেলথ কেয়ার ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের এক পরিচালক মো. মাসুদ রানা বলেন, ওই ছেলের কথামত এক্সরে করে দেয়া হয়েছে। ডাক্তারের দেয়া প্রেসক্রিপশন দেখে এক্সরে না করায় আমাদের ভুল হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ডায়গনষ্টিক সেন্টার ডাক্তারের দেয়া প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী এক্স-রে করলে ছেলেটির এত বড় সমস্যা হতো না। ভুক্তভোগীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ডায়াগনষ্টিক সেন্টারটি সাময়িক বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐘𝐄𝐋𝐋𝐎𝐖 𝐇𝐎𝐒𝐓