1. multicare.net@gmail.com : আমাদের পিরোজপুর ২৪ :
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ১২:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মঠবাড়িয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের তিন ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড নাজিরপুরে মায়ের সঙ্গে নানা বাড়িতে বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যু এমপি পরিদর্শনের পর গজারিয়ায় খালের ওপর নির্মিত অবৈধ বাঁধ অপসারণ করল কোম্পানি গজারিয়ায় পূর্ব শক্রতার জেরে স্বামী স্ত্রীকে পিটিয়ে আহত,বাড়িঘর ভাংচুর,লুট রাতে টর্চ জ্বালিয়ে উদ্বোধন এমপির,দিনের আলোয় পরিদর্শন ইউএনও’র কাউখালীতে মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ রাখায় ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা কাউখালীতে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর আফ্রিকান মাগুর মাছ জব্দ, দেওয়া হলো এতিমখানায় পবিপ্রবিতে ভিসিবিরোধী অপতৎপরতা শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের প্রতিরোধের মুখে পন্ড নাজিরপুরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন গলাচিপায় ‘গুপ্ত রাজনীতি’ ইস্যুতে দেয়াল লিখনে উত্তেজনা, মুখোমুখি ছাত্রসংগঠন

নেছারাবাদে ‎মাথাবিচ্ছিন্ন লাশ উদ্ধারের ঘটনায় অভিযুক্ত দুইজনই গ্রেফতার

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬
  • ১৫৭ বার পড়া হয়েছে

পিরোজপুর প্রতিনিধি:

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় যুবকের মাথাবিচ্ছিন্ন লাশ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত দুইজনকেই গ্রেফতার করা হয়েছে। র‍্যাব-৮ বরিশালের সহযোগিতায়। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাদের বরিশাল থেকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতারকৃতরা হলেন, বরিশালের কাশিপুর এলাকার আমির হোসেনের ছেলে তারিকুল ইসলাম ওরফে সম্রাট (৩৪) এবং পিরোজপুরের দুর্গাপুর এলাকার বাবুল হোসেন মাঝির ছেলে আবেদিন মাঝি ওরফে রাজু (৪২)। এদের মধ্যে সম্রাট বরিশালের একজন ঔষধ ব্যবসায়ী এবং রাজু পেশাদার মাদক কারবারি।‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার বিকেলে বরিশালের কাশিপুর এলাকার পরিমল চন্দ্র দাসের ছেলে ট্রাকচালক গোপাল চন্দ্র দাসকে (৪৫) পূর্বপরিকল্পিতভাবে একটি মোটরসাইকেলযোগে পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সমুদয়কাঠি ইউনিয়নের পূর্ব সারেংকাঠি গ্রামে সন্ধ্যা নদীর পাড়ে একটি ইটভাটার পাশে নিয়ে যায় রাজু ও সম্রাট। এরপর গোপালকে হত্যা করে তার শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে নদীতে ফেলে দেয় তারা। পরে ওই দিন বিকেলে অজ্ঞাত পরিচয় হিসেবে মৃতদেহটি উদ্ধার করে নেছারাবাদ থানা পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের ভাই মানিক চন্দ্র দাস অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নেছারাবাদ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।রোববার দুপুরে পিরোজপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে র‍্যাবের সঙ্গে এক যৌথ প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী জানান, নিহত ব্যক্তি ও গ্রেফতারকৃতরা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। নারী ও মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে গ্রেফতারকৃতরা গোপাল চন্দ্র দাসকে হত্যা করেছে। তিনি আরও জানান,গ্রেফতারকৃতদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে। তবে হত্যার পর নিহতের মাথা ও হত্যায় ব্যবহৃত ধারালো ছুরি নদীতে ফেলে দেওয়ায় সেগুলো এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ‎পুলিশ সুপার আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পরই পুলিশ র‍্যাবের সহযোগিতা চাইলে তারা তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐘𝐄𝐋𝐋𝐎𝐖 𝐇𝐎𝐒𝐓