1. multicare.net@gmail.com : আমাদের পিরোজপুর ২৪ :
মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, সম্মাননা স্মারক শিক্ষার্থীদের মনে অনুপ্রেরণা জাগিয়ে রাখে -পিকেএসএফ চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান পিরোজপুর প্রেসক্লাব নির্বাচনে রেজাউল ইসলাম শামীম সভাপতি তানভীর আহম্মেদ সম্পাদক খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ – ইলিয়াস হোসেন মাঝি ফরিদপুরের আটরশিতে চার দিনব্যাপী বিশ্ব উরস শরীফ শুরু রাজাপুরে জালাল উদ্দীন শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত বেগম খালেদা জিয়া আর নেই পটুয়াখালী -৩ আসনে ৪ জনের মনোনয়ন পত্র দাখিল জমি জায়গা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে থানায় এজাহার দায়ের করেন মোঃ আকমল হোসেন ভেড়ামারায় ট্রাকের ধাক্কায় পিষ্ট হলো দুই তরুণ নেছারাবাদে নবী ও হিজাব–বোরকা নিয়ে শিক্ষিকার কটুক্তি প্রতিবাদে মানববন্ধন

পিরোজপুর জেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ ও নারী কেলেঙ্কারীর অভিযোগ

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৩৯৮ বার পড়া হয়েছে

পিরোজপুর জেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে ঘুষ ও নারী কেলেঙ্কারীর লিখিত অভিযোগ করেছেন শিক্ষকরা।জেলার সদর উপজেলা ও নাজিরপুরের প্রায় অর্ধ শত শিক্ষকরা ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রাথমিক ও গনশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও এর সচিব সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।গত ২৩ সেপ্টেম্বর দেয়া ওই লিখিত অভিযোগের একটি কপি ভুক্তভোগী শিক্ষকরা গত মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) স্হানীয় সংবাদ কর্মীদের কাছে পৌঁছে দেন।লিখিত ওই অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ওই শিক্ষা কর্মকর্তা বিভিন্ন বিদ্যালয়ে পরিদর্শন কালে বিভিন্ন সাধারন অজুহাত দেখিয়ে শিক্ষকদের হয়রানী সহ জোর করে ঘুষ আদায় করেন।তার ওই ঘুষ আদায়ে সহযোগীতা করেন জেলার সদর উপজেলার সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা তপা বিশ্বাস।জেলার নাজিরপুর উপজেলার ৯৪ নম্বর ভাইজোড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা করুনা বিশ্বাস জানান, ওই জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গত ১২ সেপ্টেম্বর তার বিদ্যালয়টি ছুটিকালে সেখানে পরিদর্শনে যান।পরে বিদ্যালয়ের ৭ শিক্ষককে ছুটির আগে বিদ্যালয় ত্যাগের অভিযোগ দেখিয়ে কারন দর্শানোর নোটিশ সহ বেতন কর্তনের আদেশ দেন।পরের দিন ১৩ সেপ্টেম্বর ওই প্রধান শিক্ষিকা ওই জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে যান। এ সময় সেখানে থাকা সদর উপজেলার সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা তপা বিশ্বাসের মাধ্যমে ওই শিক্ষা কর্মকর্তা প্রতি শিক্ষক বাবদ ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন।একই অভিযোগ উপজেলার ২ নম্বর সোনাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২৫ নম্বর কতুলুইতলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১১২ নম্বর দীর্ঘা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের। তাদের দাবী ওই কর্মকর্তা ওই সব বিদ্যালয় পরিদর্শনের নামে লক্ষাধীক টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।এ ছাড়া জেলার সদর উপজেলার ৮ নম্বর নন্দীপাড়া গাবতলা ও ৫৮ নম্বর গাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও একই অভিযোগ করেন।তবে এ বিষয়ে ওই শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, ভাইজোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি পরিদর্শন কালে ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা স্হানীয় ইউপি চেয়ারম্যান খালিদ হোসেন সজলের স্ত্রী ফারজানা ইয়াসমিন ও তার ননদ(চেয়ারম্যানের বোন) ডায়মন্ড আক্তারকে পাওয়া যায় নি।স্হানীয়রা আমাকে জানিয়েছেন তারা বিভিন্ন সময় ভাই ও স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে অবৈধভাবে ছুটি ভোগ করেন।এ সময় প্রধান শিক্ষক ওই দুই শিক্ষক ছুটিতে থাকার কথা বললেও কোন আবেদন দেখাতে পারেন নি।আর ৫৮ নম্বর গাজীপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কোন ধরনের খাত দেখানো ছাড়া কিছু টাকা আত্মসত করেছেন।বিষয়টি নিয়ে তিনি আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়েছেন।অভিযুক্ত জেলার সদর উপজেলার সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তপা বিশ্বাস বলেন, আমি ওই দিন জেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সাথে নাজিরপুরের ভাইজোড়া যাই নি। এমন কি পরের দিন ওই কথা বলি নি।তা ছাড়া আমার সাথে তার কোন অনৈতি সম্পর্কের অভিযোগ মিথ্যা। আমি সম্প্রতি অন্যত্র বদলি হয়েছি, তাই সেখানে আছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐘𝐄𝐋𝐋𝐎𝐖 𝐇𝐎𝐒𝐓