1. multicare.net@gmail.com : আমাদের পিরোজপুর ২৪ :
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কাউখালীতে জাতীয় শিশু-কিশোর ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত কাউখালীতে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ মঠবাড়িয়ায় বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন বিশিষ্ট সমাজসেবক রাজু আহমেদ রাজা পিরোজপুরে মা ইলিশ রক্ষায় কালিগঙ্গা-কচা নদীতে যৌথ মহড়া কাউখালীতে জেলাশিক্ষা অফিসারের অবসর জনিত বিদায় সংবর্ধনা অযত্নে বিলুপ্তির পথে কালের স্বাক্ষী শতবর্ষের ঝালকাঠির কীর্তিপাশার সতীদাহ বেদী কাউখালীতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান নেছারাবাদে ৪ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক পিরোজপুর সাইকেলপট্টিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ক্ষতিগ্রস্ত ৬ দোকান শ্রীগুরু সঙ্ঘ আশ্রমের বহিস্কৃত কোষাধ্যক্ষ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও নাশকতা সৃষ্টির আশঙ্কায় সংবাদ সম্মেলন

মাদ্রাসার খাজনার জন্য সরকারি বই বিক্রি করলেন সুপার

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২৩৭ বার পড়া হয়েছে

ইন্দুরকানি (পিরোজপুর) প্রতিনিধিঃ

পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে মাদ্রাসার জমির খাজনা পরিশোধের জন্য শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত বিনামূল্যে বিতরণের বই বিক্রি করে দিলেন মাদ্রাসার সুপার মাওলানা ইউনুস আলী।স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) সকাল ৬ টার দিকে উপজেলার পশ্চিম বালিপাড়া নূরিয়া দাখিল মাদ্রাসার মাঠে বই ভর্তি একটি পিকআপ দেখতে পান স্থানীয়রা। এসময় স্হানীয়রা পিকআপের কাছে গিয়ে দেখেন গাড়ীর ড্রাইভার ও বই ক্রেতা বাবুল শেখ বই লোড দিচ্ছেন। পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন মাদ্রসার সুপার মাওলানা ইউনুস আলী। মাদ্রাসার সরকারি বইগুলো অবৈধ ভাবে বিক্রি হচ্ছে এটা বুঝে স্থানীয়রা পিকআপটি আটক করে গাড়ীতে থাকা বইগুলো নামিয়ে রাখেন।বই ক্রেতা বাবুল শেখ বলেন, মাদ্রাসার সুপার মাওলানা ইউনুস আলী বই বিক্রির জন্য আমাকে ফোন করে এনেছে। তিনি ১৬ টাকা কেজি দরে ১৪ মণ বই দিয়েছেন।স্থানীয় মোশারেফ গাজী জানান, তিনি সকালে মাদ্রাসার সামনে বই ভর্তি একটি পিকআপ দেখলে স্থানীয় লোকজনকে খবর দেন। তখন সুপারের কাছে বই বিক্রির কারন জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বই বিক্রি করতে বলছেন বলে জানান। এই সুপারের বিরুদ্ধে বিগত দিনেও এভাবেই সরকারি বই বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে।এব্যাপারে মাদ্রাসার সুপার মাওলানা ইউনুস আলী জানান,ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির অনুমতিক্রমে মাদ্রাসার জমির খাজনার টাকা পরিশোধ করার জন্য বইগুলো বিক্রি করেছি।মাদ্রাসার এডহক কমিটির সভাপতি মো. নাসির উদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মাদ্রাসার খাজনা বকেয়া রয়েছে। মাদ্রাসার ফান্ডে কোন টাকা না থাকায় জমির খাজনা পরিশোধের জন্য বইগুলো বিক্রি করার জন্য সুপারকে বলা হয়েছে।ইন্দুরকানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান-বিন-মুহাম্মাদ আলী বলেন, মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে সরকারি বই বিক্রি করার অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐘𝐄𝐋𝐋𝐎𝐖 𝐇𝐎𝐒𝐓