1. multicare.net@gmail.com : আমাদের পিরোজপুর ২৪ :
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ০১:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নেছারাবাদে প্রধান শিক্ষকের অবহেলায় জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারেনি অথৈ কাউখালীতে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন গজারিয়া সংঘর্ষ-ভাঙচুরের ঘটনায় গিয়াস উদ্দিনসহ আটক ৭ জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও সাহসী ভুমিকা আজো দেশের মানুষ কে অনুপ্রাণিত করে.. ড.জিয়া উদ্দিন হায়দার কাউখালীতে বেপরোয়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ব্যবসায়ী নিহত, আহত ১ গাঁজা ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে রিপোর্ট করায় ফেসবুকে হুমকি থানায় মামলার আবেদন গলাচিপায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক সম্মাননা প্রদান মঠবাড়িয়ায় আবারও দুইজন খুন : একজন নিখোঁজ সমাজ উন্নয়নের প্রত্যয়ে নাজিরপুরে বহোতা সৃজন সংঘের নতুন কমিটি গঠন মঠবাড়িয়ায় জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

নওগাঁ থানায় হেফাজতে থাকা ট্রাংক ভেঙে এইচএসসি প্রশ্নপত্র চুরি: তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ জুন, ২০২৫
  • ২৮৯ বার পড়া হয়েছে

নওগাঁ প্রতিনিধি:

নওগাঁর ধামইরহাট থানা হেফাজতে রাখা ট্রাংক ভেঙে আসন্ন ২০২৫ সালের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষার একটি বিষয়ের প্রশ্নপত্র চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১৮ জুন) দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নওগাঁ জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল আউয়াল। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২০ জুন) জেলা প্রশাসক তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। কমিটির প্রধান করা হয়েছে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সাদিয়া আফরিনকে। অপর দুই সদস্য হলেন— অতিরিক্ত পুলিশ সার্কেল ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহাদাৎ হোসেন।একাধিক ছবিতে দেখা গেছে, ধামইরহাট থানায় হেফাজতে থাকা সিলগালা ট্রাংকের দুটি তালা নেই। ট্রাংকের ভেতরে থাকা ‘ইসলামের ইতিহাস’ বিষয়ের এক সেট প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা গেছে। ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল মালেক জানান, সম্প্রতি বড়থা বাজারে ছাগল ব্যবসায়ী উজ্জল হোসেন হত্যা মামলার আসামি সাগর হোসেনকে মঙ্গলবার রাতে আটক করে থানায় আনা হয়। তাকে থানায় রেখে হাতকড়া পরা অবস্থায় রাখা হলে, সে সময়েই ট্রাংকে থাকা প্রশ্নপত্রগুলো বের করা হয় বলে দাবি করেন ওসি। তবে আসামির কাছ থেকে কীভাবে ট্রাংকের তালা খোলা হলো কিংবা কতগুলো প্রশ্নপত্র চুরি হয়েছে— সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট তথ্য দিতে পারেননি তিনি। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, “ঘটনার দিন আমি ঢাকায় ছিলাম। আমার অনুপস্থিতিতে কেডি স্কুলের প্রধান শিক্ষক মিটিংয়ে অংশ নেন। সেখানে আমাকে তদন্ত কমিটিতে সদস্য করা হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব প্রতিবেদন তৈরি করে জেলা প্রশাসক মহোদয়কে জমা দেওয়া হবে। তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাদিয়া আফরিন বলেন, “তদন্ত প্রতিবেদন জমার জন্য নির্ধারিত সময়সীমা না থাকলেও আমরা অতি দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য কাজ করছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐘𝐄𝐋𝐋𝐎𝐖 𝐇𝐎𝐒𝐓