1. multicare.net@gmail.com : আমাদের পিরোজপুর ২৪ :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শ্রীগুরু সঙ্ঘ আশ্রমের বহিস্কৃত কোষাধ্যক্ষ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও নাশকতা সৃষ্টির আশঙ্কায় সংবাদ সম্মেলন নেছারাবাদে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত চেক জালিয়াতি ও বিস্ফোরক মামলায় আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গ্রেপ্তার কাউখালীতে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের পুরস্কার বিতরণ কাউখালীতে বৈরি আবহাওয়া উপেক্ষা করে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কাউখালীতে শ্রীগুরু সঙ্ঘের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা কাউখালীতে গাঁজা ও ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বরিশাল ভোলা ও ঝালকাঠি দায়িত্ব পেলেন প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে পিরোজপুরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠিত বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

শ্রীগুরু সঙ্ঘ আশ্রমের বহিস্কৃত কোষাধ্যক্ষ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও নাশকতা সৃষ্টির আশঙ্কায় সংবাদ সম্মেলন

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:

শ্রীগুরু সঙ্ঘের কোটি টাকা লোপাট ও লোপাটকারী দুর্বৃত্তদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বাৎসরিক উৎসবে নাশকতা সৃষ্টির আশঙ্কা করছেন আশ্রম কর্তৃপক্ষ। শ্রীগুরু সঙ্ঘ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় আশ্রমের তহবিল তছরুপকারী বহিষ্কৃত সাবেক কোষাধ্যক্ষ বিপুল বরণ ঘোষ ও তার অনুসারীদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ টায় শ্রীগুরু সংঙ্ঘ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় আশ্রমের সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলন আশ্রমের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পরিতোষ মন্ডল লিখিত বক্তব্যে বলেন, ঐতিহ্যবাহী শ্রীগুরু সঙ্ঘের পবিত্রতা, শান্তি-শৃঙ্খলা এবং আশ্রমের আসন্ন বাৎসরিক উৎসবকে কেন্দ্র করে একটি চিহ্নিত কুচক্রী মহল গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। বিগত ০৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তিত হয়েছে। কিন্তু নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কাউখালী উপজেলা শাখার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এবং আশ্রমের বহিষ্কৃত সাবেক কোষাধ্যক্ষ বিপুল বরণ ঘোষ বিগত সরকারের সময় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে আশ্রমে দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম ও শৃঙ্খলাভঙ্গ করে আসছিলেন।আশ্রমের তহবিল তছরুপ সহ নানাবিধ অনিয়মের কারণে তাকে আশ্রম থেকে আইনানুগভাবে বহিষ্কার করা হয়। আশ্রমের ১,০৩,৬৪,৯৪১ (এক কোটি তিন লক্ষ চৌষট্টি হাজার নয় শত একচল্লিশ) টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিপুল বরণ ঘোষের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ পিরোজপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা চলমান রয়েছে (সিআর কেস নং- ১৭৫/২০০৫, ধারা ৪০৬ / ৪২০ দন্ড বিধি)।এছাড়া ৫ই আগস্টের গণহত্যা পরবর্তী সময়ে ঢাকার তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলার বিপুল বরণ ঘোষ অন্যতম আসামি হিসেবে গ্রেফতার হয়ে তিনি বহুদিন হাজত খেটেছেন। জেল থেকে বেরিয়ে এই বিপুল বরণ ঘোষ সরাসরি সামনে না এসে, পর্দার আড়াল থেকে কলকাঠি নেড়ে গুটিকয়েক স্বার্থান্বেষী লোককে সামনে ফেলে আশ্রমের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ অশান্ত করার চেষ্টা করছেন। তিনি নিজে একজন দাগী ও সন্ত্রাসী মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও, একজন ডামি রিটকারীকে দাঁড় করিয়ে আশ্রমের বিরুদ্ধে মহামান্য হাইকোর্টে একটি ভিত্তিহীন রিট মামলা করিয়েছেন। শুধু তাই নয়, তিনি এবং তার অনুসারীরা প্রশাসনকে একতরফা ভুল বুঝিয়ে ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। বিপুল বরণ ঘোষ এবং মামলার রিটকারীর দেওয়া ভুল তথ্যের ওপর এবং ভিত্তি করে গতকাল ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ বিকালে পিরোজপুর এর বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয়ের নেতৃত্বে আশ্রমে একটি তদন্তের দিন ধার্য ছিল। এই তদন্ত কার্যক্রমে বিপুল বরণ ঘোষ আশ্রমে প্রবেশ করতে চাইলে আশ্রমের সাধারণ সদস্যদের প্রতিরোধের মুখে সে ফিরে যেতে বাধ্য হয়। তদন্ত কমিটি নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে তদন্ত কার্যক্রম নিয়ে অগ্রসর হলে বিপুল বরণ ঘোষের উস্কানিতে তার আপন মামা শ্বশুর শংকর লাল বসুর নেতৃত্বে কিছু চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও বহিরাগত দুষ্কৃতকারী গতকাল আশ্রমে বিজ্ঞ জেলা ও স্থানীয় প্রশাসনের উপস্থিত কর্মকর্তাবৃন্দের সামনেই বিভিন্ন অসদাচরণ ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চালিয়েছে। যা নিতান্তই অনাকাঙ্ক্ষিত বলে দাবি করা হয়। পটুয়াখালী থেকে আগত প্রদীপ কর্মকার, ঝালকাঠি থেকে আগত পরিমল চন্দ্র দে, বরিশাল থেকে আগত প্রশান্ত কুমার দাস ও বরিশালের বিপ্লব দেবনাথ গং এই সকল অপকর্মের অন্যতম উস্কানিদাতা। অচিরেই এদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন আশ্রম কর্তৃপক্ষ। সামনেই আশ্রমের সবচেয়ে পবিত্র ও বড় আয়োজন ‘আসন্ন বাৎসরিক উৎসব’। প্রতি বছর শ্রীগুরু সঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা পরিব্রাজকাচার্যবর শ্রীমদ্ দুর্গা প্রসন্ন পরমহংসদেবের ১৩৫ তম আবির্ভাব ( জন্ম) উপলক্ষে বিশাল এ উৎসবের আয়োজন করা হয়। দেশ বিদেশের ও দূর দূরান্তের লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম ঘটে এ উৎসবে। আশ্রম কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে, বিপুল বরণ ঘোষ এবং তার সহযোগীরা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এই বাৎসরিক উৎসবকে সম্পূর্ণভাবে বানচাল করার চেষ্টা চালাতে পারে। বিপুল বরণ ঘোষ চক্রটি আশ্রমের বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি ও ভক্তদের অনুদান লুটপাটের এক নীল নকশা তৈরি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আশ্রম কর্তৃপক্ষ। একজন হত্যা মামলার আসামি ও আওয়ামীলীগ আমলের রাজনৈতিক প্রভাব খাটানো ও লুটপাটকারী দুর্নীতিবাজ ব্যক্তির এমন ঔদ্ধত্যপনা কাউখালীর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং আশ্রমের শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে চরম হুমকির মুখে ফেলেছে।সংবাদ সম্মেলনে আশ্রম কর্তৃপক্ষ বিপুল বরণ ঘোষ এবং তার সহযোগীদেরকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। তারা জানান, এই চক্রটি আসন্ন বাৎসরিক উৎসবকে কেন্দ্র করে আশ্রমের পবিত্র আঙিনায় কোনো ধরণের অনধিকার প্রবেশ বা অপকর্ম করতে না পারে এজন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। এক‌ই সাথে আসন্ন বাৎসরিক উৎসব যাতে নির্বিঘ্নে এবং ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সাথে উদযাপিত হতে পারে, সেজন্য আশ্রমের পক্ষ থেকে স্থানীয় জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিশেষ নিরাপত্তা ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, শ্রীগুরু সঙ্ঘ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় আশ্রমের নির্বাহী সভাপতি অধ্যক্ষ পরিমল চন্দ্র কর্মকার, সহ সভাপতি শংকর দেবনাথ, সহঃ সাংগঠনিক সঙ্গপাদক বিনয় কৃষষ্ণ দাস, কমল কৃষ্ণ খরাই, মানিক লান করসহ আশ্রমের পরিচালনা কমিটির সম্পাদক ও সদস্যগন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐘𝐄𝐋𝐋𝐎𝐖 𝐇𝐎𝐒𝐓