1. multicare.net@gmail.com : আমাদের পিরোজপুর ২৪ :
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কাউখালীতে কমিউনিটি পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত কাউখালীতে নানা আয়োজনে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের উদ্বোধন কাউখালীতে ২টি গাঁজা গাছসহ যুবক আটক ইসলামী ব্যাংক কাউখালী এজেন্ট আউটলেট শাখায় গ্রাহক মাস সেবা উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা রাঙ্গাবালীতে শিশুর সঙ্গে অনৈতিক আচরণের অভিযোগ সু সময়েও ভালোনেই রাজাপুরের বিএনপি দলীয় ত্যাগীরা জিয়ানগরে শিল্পকলা একাডেমির পরিচালনা কমিটি গঠন নেছারাবাদের আটঘর কুরিয়ানা পর্যটন এলাকায় উচ্চশব্দে সাউন্ডবক্স বাজানোয় জরিমানা কাউখালীর জব্দকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৭ শিক্ষার্থীর জন্য ৪ শিক্ষক নেছারাবাদে ক্লাস বন্ধ রেখে শিক্ষার্থীদের দিয়ে স্কুল ফিডিং এর খাবার বহন করে আনানোর অভিযোগ

উজিরপুরে মেডিকেলে সুযোগ পেয়েও অর্থ অভাবে ভর্তি অনিশ্চিত সাব্বিরের

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৯১৮ বার পড়া হয়েছে

নাজমুল হক মুন্না উজিরপুর (বরিশাল) প্রতিনিধি :

বরিশালের উজিরপুর উপজেলার শোলক ইউনিয়ন এর দামুদার কাঠি গ্রামের হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান মো: রমজান খান সাব্বির।ছোটবেলা থেকে অভাবের সাথে যুদ্ধ করে মেধা দিয়ে জয় করেছে মেডিকেলে ভর্তি।কৃষক বাবার ছেলে সাব্বির মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেলেও চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন পূরনে এখন বাঁধা হয়ে দাড়িয়েছে অর্থ।ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় ২০ হাজার টাকা সংগ্রহ করতে হিমশি খাচ্ছে তার বাবা।কৃষক ফিরোজ খানের ছেলে সাব্বির জানান, ভর্তি পরীক্ষায় ৬৭.৭৫ নম্বর পেয়ে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজে সুযোগ পেয়েছেন।বোনের উপহার পাওয়া ডিজিটাল শুমারী ট্যাব দিয়ে অনলাইনে পড়াশুনা করে একবারেই সুযোগ পেয়েছে মেডিকেলে।সাব্বির বলেন, কোন প্রাইভেট পড়ার মতো সুযোগ ছিলো না।মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষার কোন বইও কিনতে পারেননি।অনলাইন ও ইউটিউব থেকে টিউশন নিয়ে অংশ নিয়েছেন ভর্তি পরীক্ষায়।ছোট বেলা থাকে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন সাব্বির, তার বাবা সব সময় বলে যত কষ্ট হোক স্বপ্ন পুরনে সহায়তা করবেন।বাবার এ আশ্বাসে নিজের লক্ষ্য ঠিক করেন চিকিৎসক হবে।উজিরপুরের এইচএম ইনষ্টিউট থেকে ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন।পরে ভর্তি হয় সরকারী গৌরনদী কলেজে। এইচএসসি পরীক্ষায়ও জিপিএ ৫ পেয়েছেন।সাব্বিরের বাবা ফিরোজ খান জানান, সাব্বির পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। কীভাবে ছেলেকে ভর্তি করবো আর পড়ালেখার খরচ বহন নিয়েও চিন্তায় রয়েছি।ঋন করে ভর্তি করানোর চেষ্টা করার কথা জানান তিনি।সাব্বিরের মা সাহিদা বেগম জানান, স্বামী কৃষি কাজ করে। যখন টাকা থাকে তখন গামছা বিক্রির ব্যবসা করেন।এ দিয়ে চলতে কষ্ট হয়। ছেলেকে ২০ হাজার টাকা দিয়ে মেডিকেলে ভর্তি করা নিয়ে চিন্তায় আছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐘𝐄𝐋𝐋𝐎𝐖 𝐇𝐎𝐒𝐓