1. multicare.net@gmail.com : আমাদের পিরোজপুর ২৪ :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কাউখালীতে কমিউনিটি পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত কাউখালীতে নানা আয়োজনে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের উদ্বোধন কাউখালীতে ২টি গাঁজা গাছসহ যুবক আটক ইসলামী ব্যাংক কাউখালী এজেন্ট আউটলেট শাখায় গ্রাহক মাস সেবা উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা রাঙ্গাবালীতে শিশুর সঙ্গে অনৈতিক আচরণের অভিযোগ সু সময়েও ভালোনেই রাজাপুরের বিএনপি দলীয় ত্যাগীরা জিয়ানগরে শিল্পকলা একাডেমির পরিচালনা কমিটি গঠন নেছারাবাদের আটঘর কুরিয়ানা পর্যটন এলাকায় উচ্চশব্দে সাউন্ডবক্স বাজানোয় জরিমানা কাউখালীর জব্দকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৭ শিক্ষার্থীর জন্য ৪ শিক্ষক নেছারাবাদে ক্লাস বন্ধ রেখে শিক্ষার্থীদের দিয়ে স্কুল ফিডিং এর খাবার বহন করে আনানোর অভিযোগ

নামমাত্র পরিবহন সুবিধা, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২১ আগস্ট, ২০২৪
  • ১৮৮ বার পড়া হয়েছে

জান্নাতীন নাঈম জীবন, পবিপ্রবি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) বহিঃস্থ বাবুগঞ্জ ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের জন্য বাসের ভোগান্তি যেন এক অনন্ত যন্ত্রণা।বহুদিন ধরে চলছে একটি ভাঙ্গা বাসই, তাও যেন তার সমস্ত শক্তি হারিয়ে ফেলেছে।ধূসর রং চটে যাওয়া নীল বাসটি ধুঁকে ধুঁকে চলে, যেন প্রতিটি মাইল অতিক্রম করতে তার প্রাণপণ চেষ্টা করতে হয়।নড়বড়ে লাইটগুলো কখন যে নিভে যায়, তার কোনো ঠিক নেই।বাসের দরজাও কোনোরকমে আটকানো যায়, তবে যেকোনো মুহূর্তে খুলে যেতে পারে।এই ভাঙ্গা বাসেই শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাস থেকে শহরে আসা-যাওয়া করেন, প্রতিদিনের যাত্রায় সঙ্গী এক অজানা অভিজ্ঞতা।তাদের এই যাত্রা যেন এক অবিরাম সংগ্রাম, যেখানে প্রতিটি পদক্ষেপে রয়েছে অনিশ্চয়তা ও ঝুঁকি।এই বিষয়ে ডক্টর অব ভেটেরিনারি মেডিসিন ডিসিপ্লিনের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আলি হোসাইন রনি বলেন, “একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীরা যে সকল সুবিধা পেয়ে থাকে, তার মধ্যে অন্যতম হলো পরিবহণ ব্যবস্থা। কিন্তু যখন সেই পরিবহণ ব্যবস্থা ৬০০ শিক্ষার্থীর শুধু একটি মাত্র ২৩ সিট এর ফিটনেসবিহীন ভাঙ্গা মিনি বাস দিয়ে নিজেদের দায়সারা করে, শিক্ষার্থীদের মনে তা সৃষ্টি করে ক্ষোভ এবং হতাশা।”তিনি আরো জানান, “অনেক সময় রাস্তায় চলন্ত অবস্থায় নষ্ট হয়ে যায় এই বাস, যা বিপাকে ফেলে শিক্ষার্থীদের।এমতাবস্থায় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করছি, অতিদ্রুত নতুন বাস না দেওয়া হলে আমরা প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও করবো।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক শিক্ষার্থী বলেন, “প্রশাসনের ক্ষমতা নাই ছাত্রছাত্রীদের সুবিধা দেয়ার, কিছু বললে আবার যা আছে সেটাও বন্ধ করে দেয়া হয়।এত অবহেলা নিয়ে একটা বহিস্থ ক্যাম্পাস খুলে রাখার কি দরকার, ছাত্রছাত্রীদের সুযোগ সুবিধা না দিতে পারলে ক্যাম্পাস টাই বন্ধ করে দেন।এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহণ পরিচালক অধ্যাপক জামাল হোসেন বলেন, “আমি সবেমাত্র দায়িত্ব পেয়েছি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ব্যবস্থা যেন নির্বিঘ্নে পরিচালিত হয় সে ব্যাপারে আমার সদিচ্ছা আছে।বাবুগঞ্জ ক্যাম্পাসের যাতায়াতে যে সংকট সে বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নেব, পাশাপাশি নতুন গাড়ি ক্রয়েরও আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে।এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের সুনির্দিষ্ট দাবি সমূহ প্রশাসনের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐘𝐄𝐋𝐋𝐎𝐖 𝐇𝐎𝐒𝐓