1. multicare.net@gmail.com : আমাদের পিরোজপুর ২৪ :
মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঝালকাঠিতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যাবহারে বোরা ধানের বাম্পার ফলন!! পিরোজপুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ কাউখালীতে প্রান্তিক মৎস্য চাষীদের মাঝে উপকরণ বিতরণ কাউখালীতে মউশিক শিক্ষক-কর্মচারীদের রাজস্ব করনের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান পিরোজপুরে হারানো মোবাইল প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দিল জেলা পুলিশ ফুলপুরে দেয়াল ভেঙ্গে মোবাইল দোকানে চুরি গ্রেপ্তার আটক ২ মোবাইল উদ্ধার কাউখালীতে র‌্যাবের অভিযানে ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেপ্তার সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজা সম্পন্ন, প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা গলাচিপার ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন নেছারাবাদে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৭ দোকান পুড়ে ছাই, ক্ষয়ক্ষতি ১০ কোটি টাকা

ঝালকাঠিতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যাবহারে বোরা ধানের বাম্পার ফলন!!

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

ওমর ফারুক ঝালকাঠি প্রতিনিধি:

ঝালকাঠি জেলায় চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং কৃষি বিভাগের সার্বিক সহযোগিতা ও পরামর্শে বোরা ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। বীজতলা তৈরি থেকে শুরু করে ধানের ফলন পর্যন্ত কৃষি বিভাগের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যাবহার করে, রোগবালাই নাশক ব্যাবহার করে ফসলের পুষ্টি নিশ্চিত করায় মাঠ জুড়ে নজরকাড়া ফলন হয়েছে। হিসেব অনুযায়ী প্রতি কাঠা জমিতে ইতোমধ্যে অনেকে গড়ে তিন মণ করে ধান পেয়েছেন। পাখিরা যাতে ধান নষ্ট না করতে পারে কৃষি বিভাগের পরামর্শে পার্চিং পদ্ধতি ও শব্দ যন্ত্র ব্যাবহার করে কাঙ্খিত ফসল পাওয়া সম্ভব হয়েছে বলে জানান চাষিরা।জেলার রাজাপুর উপজেলার নারিকেল বাড়িয়া গ্রামের কৃষক মনজুর আলম জানান – আমি ১৫ কাঠা জমিতে বোরোধান চাষ করেছিলাম। ধান কেটে ফসল ঘরে তলেছি তাতে কাঠা প্রতি তিন মণ করে ধান পেয়েছি। ইব্রাহিম সিকদার জানান – তিনি ২২ কাঠা জমিতে বোরোধান চাষ করেছিলেন। বীজতলা থেকে শুরু করে ধানকাটা পর্যন্ত সবকিছুই আধুনিক প্রযুক্তি এবং সঠিক মাপে সার বালাই নাশক ব্যাবহার এর মাধ্যমে সম্পন্ন করেছি।এতেই আমি সন্তুষ্ট এবং আশানুরূপ ফসল পেয়েছি।তিনি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে বলেন – আল্লাহর রহমত আর রাজাপুর উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা এনি আক্তার এর সঠিক পরামর্শে আমাদের এ সফলতা।ঝালকাঠি সদর উপজেলার নথুল্লাবাদ ইউনিয়নের হরিপাশা গ্রামের কৃষক মোসলেম হাওলাদার বলেন – আমি ব্রি ধান ৭৪ জাতের ১৬০ শতাংশ এবং হাইব্রিড ময়না ও টিয়া জাতের ১২০ শতাংশ জমিতে বোরোধান চাষ করেছিলাম। টানা বৃষ্টি ও ঝড়ের কারনে কিছুটা ক্ষতি গ্রস্ত হয়েছে। তবে বাকি যা ফলন আছে তাতে ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারবেন। যদিও এবছর উৎপাদন খরচ এমনিতেই বেশী ছিলো তার ওপর ডিজেল সংকটে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছিলো। সব প্রতিকূলতা ডিঙিয়ে এখন আশানুরূপ ফসল ঘরে তুলতে পারবো।জেলার নলছিটি উপজেলার শীতলপাড়া এলাকার কৃষক মামুন হোসেন জানান – তিনি ৫৫০ শতাংশ জমিতে প্রায় ২ লাখ টাকা খরচ করে বোরোধান চাষ করেছিলাম।আবহাওয়া সম্প্রতি খারাপ হওয়ায় বেশ দুশ্চিন্তায় ছিলাম। আবহাওয়া অনুকূলে আসায় অনেকটা বড় ধরনের ক্ষতি থেকে রেহাই পেয়েছি যা ফলন হয়েছে তাতে পুষিয়ে উঠতে পারবো।

রাজাপুর উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা এনি আক্তার জানান- কৃষকদের দ্রুত ধানকাটা ও পানি নিষ্কাশনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল এবং মাঠ পর্যায়ে নজরদারি জোরদার করা হয়েছিল। ধানের শীষ ৮০ শতাংশ পরিপক্ব হলেই তা দ্রুত কেটে সংগ্রহ করার জন্য তাগিদ দেয়া হয়েছিল।ঝালকাঠি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক কৃষিবিদ মোঃরিয়াজ উল্লাহ বাহাদুর জানান – জেলায় এবছর ১৩ হাজার ৮২৫ হেক্টর জমিতে বোরোধান চাষ হয়েছে। যার মধ্যে ১০ হাজার হেক্টর জমির ধান কাটা শেষ। বর্তমানে ৯ টি কম্বাইন্ড হারভেস্টার দিয়ে ধানকাটা চলছে। যে সকল জমির ধান ৮০ শতাংশ পেকেছে সেগুলো দ্রুত কাটার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐘𝐄𝐋𝐋𝐎𝐖 𝐇𝐎𝐒𝐓