1. multicare.net@gmail.com : আমাদের পিরোজপুর ২৪ :
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কাউখালীতে নানা আয়োজনে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের উদ্বোধন কাউখালীতে ২টি গাঁজা গাছসহ যুবক আটক ইসলামী ব্যাংক কাউখালী এজেন্ট আউটলেট শাখায় গ্রাহক মাস সেবা উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা রাঙ্গাবালীতে শিশুর সঙ্গে অনৈতিক আচরণের অভিযোগ সু সময়েও ভালোনেই রাজাপুরের বিএনপি দলীয় ত্যাগীরা জিয়ানগরে শিল্পকলা একাডেমির পরিচালনা কমিটি গঠন নেছারাবাদের আটঘর কুরিয়ানা পর্যটন এলাকায় উচ্চশব্দে সাউন্ডবক্স বাজানোয় জরিমানা কাউখালীর জব্দকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৭ শিক্ষার্থীর জন্য ৪ শিক্ষক নেছারাবাদে ক্লাস বন্ধ রেখে শিক্ষার্থীদের দিয়ে স্কুল ফিডিং এর খাবার বহন করে আনানোর অভিযোগ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শায়িত হলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা অলি উল্লাহ প্রধান

হাড়িয়ে যাওয়া “ভেড়ামারা জংশন” ভেড়ামারা একসময় “জংশন” ছিল….!!!

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১ এপ্রিল, ২০২৪
  • ২৫২ বার পড়া হয়েছে

নাসিম উদ্দীন কুৃষ্টিয়া প্রতিনিধিঃ

একটি ট্রেন ভেড়ামারা জংশন থেকে ভেড়ামারা-রায়টা সেকশনে চলাচল করতো।এই রুটের দৈর্ঘ্য ছিলো ৯ কি মি।ভেড়ামারার পর স্টেশন ছিলো তিনটি- দামুকদিয়া, দামুকদিয়া ঘাট ও রায়টা।পদ্মানদীর উপর পাকশী-ভেড়ামারা সংযুক্তকারী হার্ডডিঞ্জব্রিজ চালু হওয়ার আগে পদ্মা পারাপারের জন্য এই রুটটি ব্যবহৃত হতো।পদ্মার এক পাড়ে ছিলো সাড়াঘাট ও অন্যপারে দামুকদিয়া ঘাট। সাড়াঘাট পর্যন্ত ট্রেন আসতো।তারপর রেলওয়ের ফেরি ও স্টিমার যোগে নদী পেরিয়ে দামুকদিয়া ঘাট স্টেশনে এসে রায়টা/রায়টা ট্রেনে করে ভেড়ামরা এসে কলকাতা ও গোয়ালন্দের দিকে যেতো মানুষ।১৯১৫ সালে হার্ডিঞ্জব্রিজ চালু হওয়ার পর রায়টা ট্রেন ঈশ্বরদি জংশন পর্যন্ত আসতো।ট্রেনটি সম্ভবত ১৯৮৪ সালে বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে ভেড়ামারা-রায়টা সেকশনটা পরিত্যাক্ত হয়ে যায়।তদারকির অভাবে রেললাইনের ক্লিপ,স্লিপার চু’রি হতে থাকে।অবশেষে ১৯৯০ সালের ১৫ জুলাই সেকশনটি দাপ্তরিক ভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়।তবে দামুকদিয়া ঘাট ও সাড়া ঘাট /চারা ঘাট এর রেল ফেরি ও স্টিমার কবে নাগাদ চালু হয়েছিলো তার সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি।ভেড়ামারা থেকে পাকশী’র দিকে যেতে আপ লাইনের পাশে যে পাকা রাস্তাটি আছে সেখানে আগে ভেড়ামারা – দামুকদিয়ে সেকশনের লাইন ছিলো।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐘𝐄𝐋𝐋𝐎𝐖 𝐇𝐎𝐒𝐓