1. multicare.net@gmail.com : আমাদের পিরোজপুর ২৪ :
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গজারিয়া ইত্তেফাকের সংবাদদাতার শ্বশুর গরীব হোসেন সিকদারের ইন্তেকাল কুষ্টিয়া ভেড়ামারা উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ মুন্সীগঞ্জে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া-কম্বল বিতরণ গজারিয়া নৈশ প্রহরীকে বেঁধে সংঘবদ্ধ ডাকাতি গজারিয়ায় বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক সভা ও দোয়া মাহফিল পটুয়াখালী ৩ নির্বাচনী আসনে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা কাউখালীতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারামারি, আহত ৪ আইনশৃঙ্খলার অবনতি উদ্বেগজনক – ইলিয়াস হোসেন মাঝি। শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, সম্মাননা স্মারক শিক্ষার্থীদের মনে অনুপ্রেরণা জাগিয়ে রাখে -পিকেএসএফ চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান পিরোজপুর প্রেসক্লাব নির্বাচনে রেজাউল ইসলাম শামীম সভাপতি তানভীর আহম্মেদ সম্পাদক

নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব ইসলামবিদ্বেষী ও জনবিচ্ছিন্ন….. মাওলানা গাজী আতাউর রহমান

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৩ মে, ২০২৫
  • ২২৮ বার পড়া হয়েছে

পিরোজপুর প্রতিনিধি :

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পিরোজপুর জেলা শাখার উদ্যোগে শনিবার (৩মে ২০২৫) সকাল ১০টায় কুটুমবাড়ি কমিউনিটি সেন্টারে(মুক্তিযোদ্ধা মার্কেটের ৩য় তলায়) “জেলা ও উপজেলা দায়িত্বশীল তারবিয়াত” অনুষ্ঠিত হয়। পিরোজপুর জেলা সভাপতি মাওলানা মুহাম্মাদ ইয়াহইয়া হাওলাদারের সভাপতিত্বে, পিরোজপুর জেলা সেক্রেটারি মুহাম্মাদ মনিরুল হাসানের সঞ্চালনায় জেলা উপজেলা দায়িত্বশীল তারবিয়াতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা গাজী আতাউর রহমান,সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা এ.বি. এম.জাকারিয়া, কেন্দ্রীয় মহিলা ও পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম, বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেনঃ নারী বিষয়ক কমিশনের বেশ কিছু সুপারিশ এমন, যা পশ্চিমা মতবাদ দ্বারা অনুপ্রাণিত এবং বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতা, নারীসমাজের প্রকৃত চাহিদা ও জীবনসংগ্রামের সম্পূর্ণ বিপরীত।নারী পাচার, যৌন নিপীড়ন ও দারিদ্র্যজনিত কারণে যারা পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য হচ্ছেন, তাদের পুনর্বাসন ও সমাজে স্বাভাবিক জীবন নিশ্চিত করার কথা থাকলেও কমিশন বরং এই ব্যাধিকে পেশা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে নারীর জন্য অভিশপ্ত জীবনকে আইনি বৈধতা দেয়ার অপচেষ্টা করেছে।বাংলাদেশের পারিবারিক আইন বহুদিন ধরে ধর্মভিত্তিক। যেমন মুসলিম পারিবারিক আইন, হিন্দু পারিবারিক আইন, খ্রিস্টান পারিবারিক আইন।এটি শুধু বাংলাদেশের নয়, বরং ভারতের মতো বহু দেশেই প্রচলিত। এই আইনের মাধ্যমে পরিবার গঠিত হয় এবং তা নিয়ে কোনো বড় অসন্তোষও সমাজে নেই। অথচ নারী কমিশন এই ধর্মীয় ভিত্তিকে বাতিল করে নতুন আইনের নামে ধর্মহীন পরিবার কাঠামো চাপিয়ে দেয়ার অপচেষ্টা করছে। এর মাধ্যমে তারা ধর্মবিশ্বাসী জনগণকে উত্তেজিত করে ভারতের বিজেপির সাম্প্রতিক সামাজিক বিভাজনের কৌশলের অনুকরণ করছে বলেই আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐘𝐄𝐋𝐋𝐎𝐖 𝐇𝐎𝐒𝐓