1. multicare.net@gmail.com : আমাদের পিরোজপুর ২৪ :
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০২:২৮ অপরাহ্ন

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের পদপ্রার্থী রোকেয়া হাসেম

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে

নাসিম উদ্দীন স্টাফ রিপোর্টারঃ

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসন (পাবনা-সিরাজগঞ্জ) এর সংসদ সদস্য পদপার্থী মোছাঃ রোকেয়া হাসেম সভানেত্রী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল, ঈশ্বরদী উপজেলা শাখা তিনি সাংবাদিক সম্মেলন বলেন।বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র জন্মলগ্ন থেকে, অর্থাৎ ১৯৭৪ সালে যখন দলটির যাত্রা শুরু হয়, তখন থেকেই “শিক্ষা, ঐক্য ও প্রগতি” এই আদর্শকে ধারণ করে আমি ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে রাজনীতিতে পদার্পণ করি। কলেজ জীবনে সক্রিয়ভাবে ছাত্ররাজনীতিতে অংশগ্রহণ করেছি এবং সংগঠনকে শক্তিশালী ও বিস্তৃত করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করেছি।১৯৭৯ সালে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল। ছাত্রজীবন শেষ হওয়া পর্যন্ত আমি সক্রিয়ভাবে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। পরবর্তীতে বিবাহের পর আমি যে পরিবারে গিয়েছি, সেই পরিবারও একই রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাসী হওয়ায় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে আমার তেমন কোনো বাধা সৃষ্টি হয়নি। সেই পরিবারেরই একজন আমার ভাতিজা আপনাদের প্রিয় নেতা জনাব হাবিবুর রহমান মানিক। সামাজিকভাবে, বিভিন্ন ভাবে হয়তো সাংগঠনিক দায়িত্ব সেভাবে পালন করতে আমি ঠিক মতো অব্যাহত রাখতে পেরেছি। পারলেও আমার সংগঠনের কার্যক্রমপরবর্তীতে যখন আমি সময় পেয়েছি তখন সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণ করেছি।আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আমি রাজপথে সক্রিয় ছিলাম। ম্যাডাম যখন কারাবন্দী ছিলেন, তখন আমাদের প্রিয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমান যে আন্দোলন-সংগ্রামের কর্মসূচি দিয়েছেন, সেই প্রতিটি কর্মসূচিতে আমি রাজপথে থেকে অংশগ্রহণ করেছি। আজ আমরা আমাদের প্রিয় নেতার ঘোষিত, ৩১ দফা রাষ্ট্র সংস্কার পরিকল্পনা ও ৮ দফা বাস্তবায়নের প্রত্যাশা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। আমরা আশা করি, এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের মানুষের প্রকৃত কল্যাণ সাধিত হবে। এই আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিতে গিয়ে আমাকে বহুবার নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকারও আত হয়েছে।শুধু আমি নই,আমার পরিবারও সেই রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছে। আওয়ামী শাসনামলে আমার স্বামী-রাকাব এর উপ মহা ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময়, আওয়ামি শাসন আমলে এমনভাবে মানসিক ও প্রশাসনিক চাপের মধ্যে ছিলেন যে, একজন সম্পূর্ণ সুস্থ মানুষ কর্মরত অবস্থাতেই অফিসে মৃত্যুবরণ করেন। অপরদিকে, আমার সন্তান অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র হওয়া সত্ত্বেও, বিসিএস পরীক্ষায় চারবার ভাইভা পর্যন্ত উত্তীর্ণ হয়েও শুধুমাত্র রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে তার প্রাপ্য চাকরি থেকে বঞ্চিত হয়েছে।এই প্রেক্ষাপটে, তৃণমূলের একজন কর্মী হিসেবে আমি বৃহত্তর পাবনা জেলার সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মূল্যায়ন করে আমাকে এমপি পদ দেয়, তাহলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে আমি ঈশ্বরদী, আটঘরিয়া ও বৃহত্তর পদ প্রত্যাশা করছি। দল যদি তণমলের একজন কর্মী হিসেবে আমার দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম ও অবদানকে পাবনা জেলার মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে জাতীয় সংসদে আমার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে সক্ষম হবো ইনশাআল্লাহ। আমি একটি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। আমার ভাই তিনবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন, আমার ছোট ভাই ততোধিকবারের পৌর মেয়র ও উপজেলা চেয়ারম্যান। এবং আমার ভাবীও সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে জাতীয় সংসদের কার্যক্রম ও দায়িত্ব সম্পর্কে আমার কিছুটা বাস্তব অভিজ্ঞতা ও ধারণাও রয়েছে।অতএব, আমার দল ও আমাদের প্রিয় নেতা যদি তৃণমূলের এই কর্মীর অতীত আন্দোলন-সংগ্রাম ও অবদানকে মূল্যায়ন করেন, তাহলে আমি জনগণের আস্থা রক্ষা করে আমার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারবো ইনশাআল্লাহ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐘𝐄𝐋𝐋𝐎𝐖 𝐇𝐎𝐒𝐓